Rowmari - Kurigram 11:00 am, Tuesday, 3 March 2026
Notice:
Welcome To Our Website...www.notunkalom.com 👉এতদ্বারা দৈনিক নতুন কলমের সাংবাদিক, পাঠক ও শুভানুধ্যায়ীদের জানানো যাচ্ছে যে বাংলা মাধ্যম থেকে ইংরেজি মাধ্যমে রূপান্তরের ফলে পত্রিকার নাম পরিবর্তন করে “Daily Notun Kalom” করা হয়েছে। আজ থেকে পত্রিকাটির সকল সংবাদ ইংরেজি ভাষায় প্রকাশ করা হবে। 👉 This is to inform our journalists, readers, and well-wishers that Dainik Notun Kolom has transitioned from Bangla to English and will now be published as “Daily Notun Kalom.” All news will be published in English from today onward.👉

কাজাইকাটা উচ্চ বিদ্যালয়ে বটবৃক্ষ রোপণ: পরিবেশ প্রেমিক মনিরুজ্জামানের উদ্যোগে গ্রিন ক্যাম্পাস গড়ার পথে এক ধাপ অগ্রগতি

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৭:৪৩:১৬ am, Sunday, ২০ জুলাই ২০২৫
  • 51 Time View

oplus_0

২৪

দৈনিক নতুন কলম ডেস্ক:

পরিবেশ রক্ষার লক্ষ্যে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে বৃক্ষরোপণের গুরুত্ব বুঝাতে নিজের উদ্যোগেই কাজ করে চলেছেন গয়টাপাড়া গ্রামের পরিবেশ সচেতন ব্যক্তি মোঃ মনিরুজ্জামান স্বপন। তার এই মহৎ উদ্যোগের অংশ হিসেবে আজ ২০ জুলাই, রবিবার কুড়িগ্রাম জেলার রৌমারী থানার অন্তর্গত কাজাইকাটা উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে একটি বটবৃক্ষ রোপণ করা হয়।

নিজ অর্থায়নে এই বৃক্ষ রোপণ করেন মোঃ মনিরুজ্জামান স্বপন। তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন অত্র বিদ্যালয়ের সম্মানিত প্রধান শিক্ষক মোঃ জাইদুল ইসলাম খান, অন্যান্য শিক্ষকবৃন্দ ও শিক্ষার্থীরা।

মনিরুজ্জামান স্বপন বলেন, “এই বটবৃক্ষটি রোপণের ইচ্ছা আমার বহুদিনের। গাছটি ছোট থাকায় এবং বিশ কিলোমিটার দূর থেকে আনার অসুবিধার কারণে এতদিন আনতে পারিনি। তবে আজ সেই ইচ্ছেটা পূরণ হলো। বিভিন্ন জায়গায় বৃক্ষরোপণ আমার জীবনের একটা অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে এই গাছটি আমি নির্দিষ্ট করেই শুধু কাজাইকাটা উচ্চ বিদ্যালয়ের জন্য রেখেছিলাম।”

তিনি আরো বলেন, “গাছ মানেই জীবন। এই বটবৃক্ষ একদিন অনেক বড় হবে এবং শত শত শিক্ষার্থীর ছায়া হয়ে দাঁড়াবে। পরিবেশ রক্ষায় আমাদের প্রত্যেকের সচেতন হওয়া জরুরি।”

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ জাইদুল ইসলাম খান তার বক্তব্যে বলেন, “এটা আমাদের জন্য অনেক আনন্দের বিষয় যে একজন পরিবেশ সচেতন ব্যক্তি আমাদের বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে একটি বটবৃক্ষ রোপণ করলেন। বটগাছ একটি প্রাচীন ও গুরুত্বপূর্ণ গাছ, যা শিক্ষার্থীদের কাছে পরিবেশ বিষয়ে সচেতনতা তৈরিতে বড় ভূমিকা রাখবে। এমন উদ্যোগ আরও বেশি হওয়া উচিত, যাতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে পরিবেশবান্ধব মনোভাব গড়ে ওঠে।”

এই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শুধু একটি গাছ লাগানো নয়, বরং এটি ভবিষ্যতের জন্য একটি সবুজ বার্তা। যার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা পরিবেশ সংরক্ষণের গুরুত্ব শিখবে এবং বাস্তব জীবনে প্রয়োগ করতে উদ্বুদ্ধ হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

কাজাইকাটা উচ্চ বিদ্যালয়ে বটবৃক্ষ রোপণ: পরিবেশ প্রেমিক মনিরুজ্জামানের উদ্যোগে গ্রিন ক্যাম্পাস গড়ার পথে এক ধাপ অগ্রগতি

Update Time : ০৭:৪৩:১৬ am, Sunday, ২০ জুলাই ২০২৫
২৪

দৈনিক নতুন কলম ডেস্ক:

পরিবেশ রক্ষার লক্ষ্যে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে বৃক্ষরোপণের গুরুত্ব বুঝাতে নিজের উদ্যোগেই কাজ করে চলেছেন গয়টাপাড়া গ্রামের পরিবেশ সচেতন ব্যক্তি মোঃ মনিরুজ্জামান স্বপন। তার এই মহৎ উদ্যোগের অংশ হিসেবে আজ ২০ জুলাই, রবিবার কুড়িগ্রাম জেলার রৌমারী থানার অন্তর্গত কাজাইকাটা উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে একটি বটবৃক্ষ রোপণ করা হয়।

নিজ অর্থায়নে এই বৃক্ষ রোপণ করেন মোঃ মনিরুজ্জামান স্বপন। তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন অত্র বিদ্যালয়ের সম্মানিত প্রধান শিক্ষক মোঃ জাইদুল ইসলাম খান, অন্যান্য শিক্ষকবৃন্দ ও শিক্ষার্থীরা।

মনিরুজ্জামান স্বপন বলেন, “এই বটবৃক্ষটি রোপণের ইচ্ছা আমার বহুদিনের। গাছটি ছোট থাকায় এবং বিশ কিলোমিটার দূর থেকে আনার অসুবিধার কারণে এতদিন আনতে পারিনি। তবে আজ সেই ইচ্ছেটা পূরণ হলো। বিভিন্ন জায়গায় বৃক্ষরোপণ আমার জীবনের একটা অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে এই গাছটি আমি নির্দিষ্ট করেই শুধু কাজাইকাটা উচ্চ বিদ্যালয়ের জন্য রেখেছিলাম।”

তিনি আরো বলেন, “গাছ মানেই জীবন। এই বটবৃক্ষ একদিন অনেক বড় হবে এবং শত শত শিক্ষার্থীর ছায়া হয়ে দাঁড়াবে। পরিবেশ রক্ষায় আমাদের প্রত্যেকের সচেতন হওয়া জরুরি।”

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ জাইদুল ইসলাম খান তার বক্তব্যে বলেন, “এটা আমাদের জন্য অনেক আনন্দের বিষয় যে একজন পরিবেশ সচেতন ব্যক্তি আমাদের বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে একটি বটবৃক্ষ রোপণ করলেন। বটগাছ একটি প্রাচীন ও গুরুত্বপূর্ণ গাছ, যা শিক্ষার্থীদের কাছে পরিবেশ বিষয়ে সচেতনতা তৈরিতে বড় ভূমিকা রাখবে। এমন উদ্যোগ আরও বেশি হওয়া উচিত, যাতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে পরিবেশবান্ধব মনোভাব গড়ে ওঠে।”

এই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শুধু একটি গাছ লাগানো নয়, বরং এটি ভবিষ্যতের জন্য একটি সবুজ বার্তা। যার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা পরিবেশ সংরক্ষণের গুরুত্ব শিখবে এবং বাস্তব জীবনে প্রয়োগ করতে উদ্বুদ্ধ হবে।