Rowmari - Kurigram 9:29 am, Tuesday, 3 March 2026
Notice:
Welcome To Our Website...www.notunkalom.com 👉এতদ্বারা দৈনিক নতুন কলমের সাংবাদিক, পাঠক ও শুভানুধ্যায়ীদের জানানো যাচ্ছে যে বাংলা মাধ্যম থেকে ইংরেজি মাধ্যমে রূপান্তরের ফলে পত্রিকার নাম পরিবর্তন করে “Daily Notun Kalom” করা হয়েছে। আজ থেকে পত্রিকাটির সকল সংবাদ ইংরেজি ভাষায় প্রকাশ করা হবে। 👉 This is to inform our journalists, readers, and well-wishers that Dainik Notun Kolom has transitioned from Bangla to English and will now be published as “Daily Notun Kalom.” All news will be published in English from today onward.👉

সিরাজগঞ্জের মহা-নায়ক মাওলানা আব্দুর রশিদ তর্কবাগীশের ৪০ তম মৃত্যু বার্ষিকী

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৫:৫০:০৯ am, Wednesday, ২০ অগাস্ট ২০২৫
  • 8 Time View
২৩

মো ইয়াকুব আলী তালুকদার

স্টাফ রিপোর্টার, সিরাজগঞ্জ

সিরাজগঞ্জের রক্তাক্ত সলঙ্গা বিদ্রোহের মহানায়ক, জাতীয় নেতা,৫২’র ভাষা আন্দোলনের অগ্নি পুরুষ মাওলানা আব্দুর রশিদ তর্কবাগীশের ৪০তম মৃত্যু দিবস আজ।

মাওলানা আব্দুর রশিদ তর্কবাগীশ ১৯০০ সালের ২৭
নভেম্বর সিরাজগঞ্জের সলঙ্গা থানার তারুটিয়া
গ্রামে এক পীর বংশে জন্ম গ্রহণ করেন । তাঁর পিতার
নাম শাহ সৈয়দ আবু ইসহাক ও মাতা আজিজুন্নেছা।
আজীবন সংগ্রামী মানুষ ছিলেন মাওলানা আব্দুর
রশিদ তর্কবাগীশ।

মাওলানা আব্দুর রশিদ তর্কবাগীশের নেতৃত্বে ১৯২২ সালের ২৭ জানুয়ারি বিলেতি পণ্য বর্জন আন্দোলনে সলঙ্গা হাটে বিট্রিশ পুলিশের নির্বিচারে গুলিতে প্রায় সাড়ে ৪ হাজার লোক হতাহত হয়।যা ইতিহাসে রক্তাক্ত সলঙ্গা বিদ্রোহ নামে খ্যাত।

১৯৫২ সালে বাংলা ভাষার দাবীরত ছাত্রদের উপর পুলিশের গুলি বর্ষন করে হতাহত করার প্রতিবাদে মাওলানা তর্কবাগীশ আইন পরিষদে সর্ব প্রথম তুমুল প্রতিবাদের ঝড় তোলেন।১৯৫৫ সালে ১২ আগষ্ট পাকিস্তানের গণ পরিষদে রাষ্টীয় ভাষা বাংলার দাবীতে তিনিই প্রথম বাংলা ভাষায় বক্তব্য দেন । ১৯৫৬ সাল থেকে ১৯৬৬ সাল পর্যন্ত তিনি আওয়ামীলীগের সভাপতিরদায়িত্ব পালন করেন।

মাওলানা তর্কবাগীশ খেলাফত আন্দোলন,কৃষক আন্দোলন,১৯৪৭ সালে দেশ বিভাগের স্বাধিকার আদায়ের আন্দোলন,৫৪’র যুক্তফ্রন্টের নির্বাচন,,৬৯’র গণ অভ্যুথ্থান, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক হিসাবে অনন্য অবদান সহ দেশ ও জাতীর
ক্রান্তিকালে সকল মুক্তির আন্দোলনে পুরো সামনে
থেকে জাতির অধিকার আদায়ে সচেষ্ট থেকেছেন
আজীবন ।

স্বাধীনতা অর্জনের পরই মাওলানা তর্কবাগীশের প্রচেষ্টায় মাদ্রাসা শিক্ষা পুনরায় চালু করে মাদ্রাসা শিক্ষা বোডর্র চেয়ারম্যান হিসাবে তিনি মাদ্রাসা শিক্ষাকে আধুনিকিকরণ ও উন্নয়নের দারপ্রান্তে পৌঁছে দিয়েছেন।

মাওলানা মোহাম্মদ আব্দুর রশিদ তর্কবাগীশ ৮৬ বছর বয়সে ১৯৮৬ সালে ঢাকা পিজি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু বরণ করেন। দেশ এমন একজন বিদ্রোহী মহা-নায়কের অবদান কোন দিন ভুলবে না। এমন একজন বিদ্রোহী মহা-নায়ককে আজীবন স্বরণ করবে।


 

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

সিরাজগঞ্জের মহা-নায়ক মাওলানা আব্দুর রশিদ তর্কবাগীশের ৪০ তম মৃত্যু বার্ষিকী

Update Time : ০৫:৫০:০৯ am, Wednesday, ২০ অগাস্ট ২০২৫
২৩

মো ইয়াকুব আলী তালুকদার

স্টাফ রিপোর্টার, সিরাজগঞ্জ

সিরাজগঞ্জের রক্তাক্ত সলঙ্গা বিদ্রোহের মহানায়ক, জাতীয় নেতা,৫২’র ভাষা আন্দোলনের অগ্নি পুরুষ মাওলানা আব্দুর রশিদ তর্কবাগীশের ৪০তম মৃত্যু দিবস আজ।

মাওলানা আব্দুর রশিদ তর্কবাগীশ ১৯০০ সালের ২৭
নভেম্বর সিরাজগঞ্জের সলঙ্গা থানার তারুটিয়া
গ্রামে এক পীর বংশে জন্ম গ্রহণ করেন । তাঁর পিতার
নাম শাহ সৈয়দ আবু ইসহাক ও মাতা আজিজুন্নেছা।
আজীবন সংগ্রামী মানুষ ছিলেন মাওলানা আব্দুর
রশিদ তর্কবাগীশ।

মাওলানা আব্দুর রশিদ তর্কবাগীশের নেতৃত্বে ১৯২২ সালের ২৭ জানুয়ারি বিলেতি পণ্য বর্জন আন্দোলনে সলঙ্গা হাটে বিট্রিশ পুলিশের নির্বিচারে গুলিতে প্রায় সাড়ে ৪ হাজার লোক হতাহত হয়।যা ইতিহাসে রক্তাক্ত সলঙ্গা বিদ্রোহ নামে খ্যাত।

১৯৫২ সালে বাংলা ভাষার দাবীরত ছাত্রদের উপর পুলিশের গুলি বর্ষন করে হতাহত করার প্রতিবাদে মাওলানা তর্কবাগীশ আইন পরিষদে সর্ব প্রথম তুমুল প্রতিবাদের ঝড় তোলেন।১৯৫৫ সালে ১২ আগষ্ট পাকিস্তানের গণ পরিষদে রাষ্টীয় ভাষা বাংলার দাবীতে তিনিই প্রথম বাংলা ভাষায় বক্তব্য দেন । ১৯৫৬ সাল থেকে ১৯৬৬ সাল পর্যন্ত তিনি আওয়ামীলীগের সভাপতিরদায়িত্ব পালন করেন।

মাওলানা তর্কবাগীশ খেলাফত আন্দোলন,কৃষক আন্দোলন,১৯৪৭ সালে দেশ বিভাগের স্বাধিকার আদায়ের আন্দোলন,৫৪’র যুক্তফ্রন্টের নির্বাচন,,৬৯’র গণ অভ্যুথ্থান, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক হিসাবে অনন্য অবদান সহ দেশ ও জাতীর
ক্রান্তিকালে সকল মুক্তির আন্দোলনে পুরো সামনে
থেকে জাতির অধিকার আদায়ে সচেষ্ট থেকেছেন
আজীবন ।

স্বাধীনতা অর্জনের পরই মাওলানা তর্কবাগীশের প্রচেষ্টায় মাদ্রাসা শিক্ষা পুনরায় চালু করে মাদ্রাসা শিক্ষা বোডর্র চেয়ারম্যান হিসাবে তিনি মাদ্রাসা শিক্ষাকে আধুনিকিকরণ ও উন্নয়নের দারপ্রান্তে পৌঁছে দিয়েছেন।

মাওলানা মোহাম্মদ আব্দুর রশিদ তর্কবাগীশ ৮৬ বছর বয়সে ১৯৮৬ সালে ঢাকা পিজি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু বরণ করেন। দেশ এমন একজন বিদ্রোহী মহা-নায়কের অবদান কোন দিন ভুলবে না। এমন একজন বিদ্রোহী মহা-নায়ককে আজীবন স্বরণ করবে।