Rowmari - Kurigram 7:45 pm, Tuesday, 3 March 2026
Notice:
Welcome To Our Website...www.notunkalom.com 👉এতদ্বারা দৈনিক নতুন কলমের সাংবাদিক, পাঠক ও শুভানুধ্যায়ীদের জানানো যাচ্ছে যে বাংলা মাধ্যম থেকে ইংরেজি মাধ্যমে রূপান্তরের ফলে পত্রিকার নাম পরিবর্তন করে “Daily Notun Kalom” করা হয়েছে। আজ থেকে পত্রিকাটির সকল সংবাদ ইংরেজি ভাষায় প্রকাশ করা হবে। 👉 This is to inform our journalists, readers, and well-wishers that Dainik Notun Kolom has transitioned from Bangla to English and will now be published as “Daily Notun Kalom.” All news will be published in English from today onward.👉

চুয়াডাঙ্গা- মেহেরপুর রুটে পরিবহণ সেক্টরে চলছে স্বৈরাতন্ত্রের প্রতিচ্ছবি

  • Reporter Name
  • Update Time : ১০:৪৭:৩৬ am, Tuesday, ৭ অক্টোবর ২০২৫
  • 7 Time View
২১

মোঃ মিনারুল ইসলাম

চুুয়াডাঙ্গা জেলা প্রতিনিধি

দেশের দক্ষিণ- পশ্চিমাঞ্চলীয় জেলা মেহেরপুর- চুয়াডাঙ্গা রুটে দীর্ঘ্যদিন ধরে নৈরাজ্যকর অবস্হা চলে আসছে।কখনো লোকাল বাসের যাত্রী উঠানো নিয়ে অটোওয়ালাদের সাথে হাঙ্গামা চলে।

আবার,কখনো লোকাল বাসে যাত্রী কম হওয়াকে কেন্দ্র পরিবহণ মালিক সমিতির লেসপেন্সাররা পরিবহণে লোকাল যাত্রী উঠানো নিয়ে হাঙ্গামা করে।

এর মাঝে বলির পাঠা হয় মেহেরপুর-চুয়াডাঙ্গা জেলায় চাকুরিরত কর্মকর্তা ও কর্মচারিরা।এ নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া চলছে।

প্রাপ্ত তথ্য মোতাবেক,মেহেরপুর- চুয়াডাঙ্গা রুটে স্বৈরাচারের অনুগত রয়েল পরিবহণের মালিক সালাউদ্দিন ও সুগন্ধ্যা পরিবহণের মালিক আবুল কালাম নেতৃত্বাধীন মালিক সমিতি।

ওই রুটে পূর্বাশা পরিবহণ,রয়েল পরিবহণ,চুয়াডাঙ্গা ডিলাক্স,গোল্ডেন লাইন,জেআর পরিবহণ,সাউদিয়া পরিবহণ,রিংকি,সোহেল,আরএ পরিবহণ শাহ ফরিদ পরিবহণসহ আরো অনেক পরিবহণ চলাচল করে।

আবার,লোকাল বাস গুলো সুগন্ধা,দোয়েল,মিম,সোনারতরি,আল্লাহর দানসহ অনেক পরিবহণ চলাচল করে।

তবে,অধিকাংশ পরিবহণের সুপারভাইজারদের ব্যবহার, আচার আচরন খারাপ বলে অভিযোগ আছে।আবার, গাড়ি চালকরা কথা ও কাজের কোন মিল রাখে বলেও অভিযোগ রয়েছে।

মেহেরপুর- চুয়াডাঙ্গা জেলায় চাকুরি করেন এমন বেশ কয়েকজন যাত্রী প্রতিবেদকের কাছে তাদের সমস্যার কথা জানিয়ে বলেছেন যে,তারা একটু ” টাইম মেইনটেইন ” করতে অনেক দিন পরিবহণে উঠতে গেলে অপমান করে নামিয়ে দেয়।

তারা মালিক সমিতি, মালিক সমিতি বলে তারাও ভয়ে থাকে।আবার আমাদেরও ভয়ে রাখে।জরিমানা র ভয় দেখায়।এতে, তারা অসম্মান ও অপমানবোধ করেন।

তারা যে, মেহেরপুর কিংবা চুয়াডাঙ্গা জেলা কোন ব্যাংকার কিংবা সরকারি কর্মকর্তা।সেটা পরিবহণের সুপারভাইজারদের নিতে ইচ্ছা থাকলেও মালিক সমিতির নাম বলে অপমান করে।

এমতাবস্হায়,ওইসব চাকুরিরতদের দাবি,, পরিবহণ মালিক সমিতির উচিত পরিবহণ চলাচলের জন্য “অনুমতি পত্র ” প্রদান করে সম্মানের সাথে সেবা দেয়া।

এ বিষয় নিয়ে সরকারি কর্মকর্তারা “মেহেরপুর ও চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসককে অবহিত করবেন বলে প্রস্তুতি নিতে চলেছেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

চুয়াডাঙ্গা- মেহেরপুর রুটে পরিবহণ সেক্টরে চলছে স্বৈরাতন্ত্রের প্রতিচ্ছবি

Update Time : ১০:৪৭:৩৬ am, Tuesday, ৭ অক্টোবর ২০২৫
২১

মোঃ মিনারুল ইসলাম

চুুয়াডাঙ্গা জেলা প্রতিনিধি

দেশের দক্ষিণ- পশ্চিমাঞ্চলীয় জেলা মেহেরপুর- চুয়াডাঙ্গা রুটে দীর্ঘ্যদিন ধরে নৈরাজ্যকর অবস্হা চলে আসছে।কখনো লোকাল বাসের যাত্রী উঠানো নিয়ে অটোওয়ালাদের সাথে হাঙ্গামা চলে।

আবার,কখনো লোকাল বাসে যাত্রী কম হওয়াকে কেন্দ্র পরিবহণ মালিক সমিতির লেসপেন্সাররা পরিবহণে লোকাল যাত্রী উঠানো নিয়ে হাঙ্গামা করে।

এর মাঝে বলির পাঠা হয় মেহেরপুর-চুয়াডাঙ্গা জেলায় চাকুরিরত কর্মকর্তা ও কর্মচারিরা।এ নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া চলছে।

প্রাপ্ত তথ্য মোতাবেক,মেহেরপুর- চুয়াডাঙ্গা রুটে স্বৈরাচারের অনুগত রয়েল পরিবহণের মালিক সালাউদ্দিন ও সুগন্ধ্যা পরিবহণের মালিক আবুল কালাম নেতৃত্বাধীন মালিক সমিতি।

ওই রুটে পূর্বাশা পরিবহণ,রয়েল পরিবহণ,চুয়াডাঙ্গা ডিলাক্স,গোল্ডেন লাইন,জেআর পরিবহণ,সাউদিয়া পরিবহণ,রিংকি,সোহেল,আরএ পরিবহণ শাহ ফরিদ পরিবহণসহ আরো অনেক পরিবহণ চলাচল করে।

আবার,লোকাল বাস গুলো সুগন্ধা,দোয়েল,মিম,সোনারতরি,আল্লাহর দানসহ অনেক পরিবহণ চলাচল করে।

তবে,অধিকাংশ পরিবহণের সুপারভাইজারদের ব্যবহার, আচার আচরন খারাপ বলে অভিযোগ আছে।আবার, গাড়ি চালকরা কথা ও কাজের কোন মিল রাখে বলেও অভিযোগ রয়েছে।

মেহেরপুর- চুয়াডাঙ্গা জেলায় চাকুরি করেন এমন বেশ কয়েকজন যাত্রী প্রতিবেদকের কাছে তাদের সমস্যার কথা জানিয়ে বলেছেন যে,তারা একটু ” টাইম মেইনটেইন ” করতে অনেক দিন পরিবহণে উঠতে গেলে অপমান করে নামিয়ে দেয়।

তারা মালিক সমিতি, মালিক সমিতি বলে তারাও ভয়ে থাকে।আবার আমাদেরও ভয়ে রাখে।জরিমানা র ভয় দেখায়।এতে, তারা অসম্মান ও অপমানবোধ করেন।

তারা যে, মেহেরপুর কিংবা চুয়াডাঙ্গা জেলা কোন ব্যাংকার কিংবা সরকারি কর্মকর্তা।সেটা পরিবহণের সুপারভাইজারদের নিতে ইচ্ছা থাকলেও মালিক সমিতির নাম বলে অপমান করে।

এমতাবস্হায়,ওইসব চাকুরিরতদের দাবি,, পরিবহণ মালিক সমিতির উচিত পরিবহণ চলাচলের জন্য “অনুমতি পত্র ” প্রদান করে সম্মানের সাথে সেবা দেয়া।

এ বিষয় নিয়ে সরকারি কর্মকর্তারা “মেহেরপুর ও চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসককে অবহিত করবেন বলে প্রস্তুতি নিতে চলেছেন।