Rowmari - Kurigram 9:15 am, Tuesday, 3 March 2026
Notice:
Welcome To Our Website...www.notunkalom.com 👉এতদ্বারা দৈনিক নতুন কলমের সাংবাদিক, পাঠক ও শুভানুধ্যায়ীদের জানানো যাচ্ছে যে বাংলা মাধ্যম থেকে ইংরেজি মাধ্যমে রূপান্তরের ফলে পত্রিকার নাম পরিবর্তন করে “Daily Notun Kalom” করা হয়েছে। আজ থেকে পত্রিকাটির সকল সংবাদ ইংরেজি ভাষায় প্রকাশ করা হবে। 👉 This is to inform our journalists, readers, and well-wishers that Dainik Notun Kolom has transitioned from Bangla to English and will now be published as “Daily Notun Kalom.” All news will be published in English from today onward.👉

সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে ভবদহ অঞ্চলের পাঁচ নদী পুনঃখনন উদ্বোধন জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তির আলো দেখছেন ভবদহ বাসী

  • Reporter Name
  • Update Time : ০১:৫০:১৮ pm, Friday, ২৪ অক্টোবর ২০২৫
  • 94 Time View
১৬১

আবু রায়হান, মনিরামপুর প্রতিনিধিঃ

যশোরের দুঃখ “ভবদহ স্থায়ী জলাবদ্ধতা” থেকে মুক্তি পেতে আশার মুখ দেখছেন ভুক্তভোগী ভবদহ পাড়ের ৫টি উপজেলার কয়েকলাখ মানুষ। তাদের দীর্ঘদিনের চাওয়া ছিল সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে নদী খনন, সে কাজটি উদ্বোধনে আশার আলো দেখছেন ভবদহ বাসী। ভবদহ অঞ্চলের স্থায়ী জলাবদ্ধতা নিরসণ এবং জনজীবন স্বাভাবিক করতে নদীর নাব্যতা ফিরিয়ে আনতে অবশেষে শুরু হয়েছে পুনঃখনন কাজ। ভবদহ অঞ্চলের পাঁচটি নদীর মোট ৮১.৫ কিলোমিটার খনন কাজের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। শুক্রবার (২৪ অক্টোবর) ভবদহের ২১ ভেন্ট ভবদহ সুইজ গেট পয়েন্ট থেকে ১৪০ কোটি টাকা ব্যয়ে এ বৃহৎ খনন কাজের উদ্বোধন করে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ২৪ ইঞ্জিনিয়ারিং কনস্ট্রাকশন ব্রিগেড। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন যশোর জেলা প্রশাসক মোঃ আজাহারুল ইসলাম।

এতে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, প্রকল্প পরিচালক বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর লেঃ কর্ণেল মামুন উর রশিদ, বাপাউবো’র প্রকল্প পরিচালক বিএম আব্দুল মোমেন, প্রকল্প কর্মকর্তা মেজর গাজী নাজমুল হাসান, পাউবো যশোরের নির্বাহী প্রকোশলী পলাশ কুমার ব্যানার্জী, মনিরামপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার নিশাত তামান্না, অভয়নগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার শেখ সালাউদ্দীন টিপু প্রমূখ। ভবদহ পানি নিস্কাশন সংগ্রাম কমিটি আহ্বায়ক রণজিত বাওয়ালী বলেন, এবার যেহেতু সেনাবাহিনীর অধীনে নদী খনন বাস্তবায়ন হবে, এই কারণে একটু আশার আলো দেখছেন জলাবদ্ধবাসী।

পাউবো যশোরের নির্বাহী প্রকৌশলী পলাশ কুমার ব্যানার্জী জানান, ‘শুক্রবার থেকে ভবদহ এলাকায় নদী পুনঃখনের কাজ শুরু হয়েছে। টেকা হরিহর নদীর কাজ শুরু হলে ভবদহ’র দুর্ভোগ লাঘব হবে। খননের পর পলি অপসারণের একটি প্রকল্প গ্রহণ করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর অন্তবর্তী সরকারের পানিসম্পদ উপদেষ্টা রিজওয়ান হাসান সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো কর্মকর্তাদের নিয়ে দু’ দফা পরিদর্শন করেন ভবদহ অঞ্চল। এসে প্রতিশ্রুতি দিয়ে জান স্থায়ী সমাধানের। তারই ধারা বাহিকতায় জলাবদ্ধতার স্থায়ী সংকটের এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে চলতি বছরের ২৩ সেপ্টেম্বর যশোর ও খুলনার ভবদহ অঞ্চলের দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা নিরসনে বাপাউবো এবং সেনাবাহিনীর ২৪ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন ব্রিগেডের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়।

১৪০ কোটি টাকা ব্যায়ে প্রকল্পের আওতায় যশোর ও খুলনা অঞ্চলের হরিহর নদী (৩৫ কিমি), হরি-তেলিগাতি নদী (২০ কি.মি.), আপারভদ্রা নদী (১৮.৫ কি.মি.), টেকা নদী (৭ কি.মি.) ও শ্রী নদী (১ কি.মি.) সহ মোট ৫টি নদীর ৮১.৫ কিমি পুনঃখনন করার অনুমোদন দেয়া হয়।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে ভবদহ অঞ্চলের পাঁচ নদী পুনঃখনন উদ্বোধন জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তির আলো দেখছেন ভবদহ বাসী

Update Time : ০১:৫০:১৮ pm, Friday, ২৪ অক্টোবর ২০২৫
১৬১

আবু রায়হান, মনিরামপুর প্রতিনিধিঃ

যশোরের দুঃখ “ভবদহ স্থায়ী জলাবদ্ধতা” থেকে মুক্তি পেতে আশার মুখ দেখছেন ভুক্তভোগী ভবদহ পাড়ের ৫টি উপজেলার কয়েকলাখ মানুষ। তাদের দীর্ঘদিনের চাওয়া ছিল সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে নদী খনন, সে কাজটি উদ্বোধনে আশার আলো দেখছেন ভবদহ বাসী। ভবদহ অঞ্চলের স্থায়ী জলাবদ্ধতা নিরসণ এবং জনজীবন স্বাভাবিক করতে নদীর নাব্যতা ফিরিয়ে আনতে অবশেষে শুরু হয়েছে পুনঃখনন কাজ। ভবদহ অঞ্চলের পাঁচটি নদীর মোট ৮১.৫ কিলোমিটার খনন কাজের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। শুক্রবার (২৪ অক্টোবর) ভবদহের ২১ ভেন্ট ভবদহ সুইজ গেট পয়েন্ট থেকে ১৪০ কোটি টাকা ব্যয়ে এ বৃহৎ খনন কাজের উদ্বোধন করে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ২৪ ইঞ্জিনিয়ারিং কনস্ট্রাকশন ব্রিগেড। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন যশোর জেলা প্রশাসক মোঃ আজাহারুল ইসলাম।

এতে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, প্রকল্প পরিচালক বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর লেঃ কর্ণেল মামুন উর রশিদ, বাপাউবো’র প্রকল্প পরিচালক বিএম আব্দুল মোমেন, প্রকল্প কর্মকর্তা মেজর গাজী নাজমুল হাসান, পাউবো যশোরের নির্বাহী প্রকোশলী পলাশ কুমার ব্যানার্জী, মনিরামপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার নিশাত তামান্না, অভয়নগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার শেখ সালাউদ্দীন টিপু প্রমূখ। ভবদহ পানি নিস্কাশন সংগ্রাম কমিটি আহ্বায়ক রণজিত বাওয়ালী বলেন, এবার যেহেতু সেনাবাহিনীর অধীনে নদী খনন বাস্তবায়ন হবে, এই কারণে একটু আশার আলো দেখছেন জলাবদ্ধবাসী।

পাউবো যশোরের নির্বাহী প্রকৌশলী পলাশ কুমার ব্যানার্জী জানান, ‘শুক্রবার থেকে ভবদহ এলাকায় নদী পুনঃখনের কাজ শুরু হয়েছে। টেকা হরিহর নদীর কাজ শুরু হলে ভবদহ’র দুর্ভোগ লাঘব হবে। খননের পর পলি অপসারণের একটি প্রকল্প গ্রহণ করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর অন্তবর্তী সরকারের পানিসম্পদ উপদেষ্টা রিজওয়ান হাসান সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো কর্মকর্তাদের নিয়ে দু’ দফা পরিদর্শন করেন ভবদহ অঞ্চল। এসে প্রতিশ্রুতি দিয়ে জান স্থায়ী সমাধানের। তারই ধারা বাহিকতায় জলাবদ্ধতার স্থায়ী সংকটের এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে চলতি বছরের ২৩ সেপ্টেম্বর যশোর ও খুলনার ভবদহ অঞ্চলের দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা নিরসনে বাপাউবো এবং সেনাবাহিনীর ২৪ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন ব্রিগেডের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়।

১৪০ কোটি টাকা ব্যায়ে প্রকল্পের আওতায় যশোর ও খুলনা অঞ্চলের হরিহর নদী (৩৫ কিমি), হরি-তেলিগাতি নদী (২০ কি.মি.), আপারভদ্রা নদী (১৮.৫ কি.মি.), টেকা নদী (৭ কি.মি.) ও শ্রী নদী (১ কি.মি.) সহ মোট ৫টি নদীর ৮১.৫ কিমি পুনঃখনন করার অনুমোদন দেয়া হয়।