Rowmari - Kurigram 9:18 am, Tuesday, 3 March 2026
Notice:
Welcome To Our Website...www.notunkalom.com 👉এতদ্বারা দৈনিক নতুন কলমের সাংবাদিক, পাঠক ও শুভানুধ্যায়ীদের জানানো যাচ্ছে যে বাংলা মাধ্যম থেকে ইংরেজি মাধ্যমে রূপান্তরের ফলে পত্রিকার নাম পরিবর্তন করে “Daily Notun Kalom” করা হয়েছে। আজ থেকে পত্রিকাটির সকল সংবাদ ইংরেজি ভাষায় প্রকাশ করা হবে। 👉 This is to inform our journalists, readers, and well-wishers that Dainik Notun Kolom has transitioned from Bangla to English and will now be published as “Daily Notun Kalom.” All news will be published in English from today onward.👉

যশোরের মণিরামপুরে হাতুড়ী ডাক্তারের ভুল চিকিৎসায় গৃহবধু’র মৃত্যুর অভিযোগ 

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৪:৪২:০৮ pm, Tuesday, ২৮ অক্টোবর ২০২৫
  • 56 Time View
১১৭

আবু রায়হান, মণিরামপুর প্রতিনিধিঃ স্বামী প্রবাসে ছিলেন,নিজের ছেলেকেও পাঠিয়েছেন বিদেশে,বাড়িতে মেয়ের বিয়ের তোড়জোড় ,চলছে অর্থ-সম্পদের নাই কোনো সংকট! তবুও দীর্ঘদিন যাবত জ্বর-স্বাষকষ্টে ভুগে অবশেষে হাসপাতালের চিকিৎসকের তত্বাবধানে প্রাথমিক চিকিৎসারত অবস্থায় মোছাঃ সেলিনা খাতুন(৩৬) নামের এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। মৃত নারী মণিরামপুর উপজেলার মাহমুদকাঠি গ্রামের বেকারী ব্যাবসায়ী মোঃ জলিলের স্ত্রী।

‎রোগী জরুরী বিভাগে আসা মুহূর্তেই ভর্তির সময়ে অবস্থা অনেক খারাপ ছিলো এই মর্মে চলতি এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন মণিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক (আরএমও) অনুপ বসু,আর রোগীর বড় ভাই দাবী করছেন অনকেদিন যাবত তার বোন জ্বরে পড়েছিলেন,গ্রামের এক পল্লী চিকিৎসকের পরামর্শে চলতি ১৮-২০দিন ধরে ঔষধ সেবন করে আসছিলেন।

‎তথ্যমতে,রোগীর ভাই সহ কয়েকজন মঙ্গলবার (২৮শে অক্টোবর) মঙ্গলবার বেলা ১২টার দিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সেলিনা খাতুন’কে (৩৬) শরীরে জ্বর ও শাসকষ্টের সমস্যা নিয়ে আসে।জরুরী বিভাগ হতে তাৎক্ষণিক প্রাথমিক চিকিৎসা (কর্টসন) দিয়ে মহিলা ওয়ার্ডে প্রেরন করলে রোগীর হাতে কেনালা যুক্ত করার পূর্বে গৃহবধূর মৃত্যু হয় বলে জানান কর্তব্যরত চিকিৎসক।

‎উপস্থিত মৃত সেলিনা খাতুনের বড় ভাই জানান,১৮-২০দিন যাবত আমার বোন অসুস্থ্য থাকলেও স্থানীয় পল্লী চিকিৎসক ছাড়া ভালো চিকিৎসা দেয়নি বোনের জামায় জালিল।বাড়িতে বোনের(সেলিনা) মেয়ের বিয়ের তোড়জোড় চলছিলো,কাল-পরশু বিয়ের কথা আছে।তার আগেই গতকাল রাতে হঠাৎ শাসকষ্ঠ বেড়ে গেলে সকালে হাসপাতালে নিয়ে আসে।

‎মণিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে র আবাসিক স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ও কর্তব্যরত ডাঃ অনুপ বসু জানান,রোগীর অবস্থা আশংকাজনক ছিলো।আমাদের এখানে আসা মাত্র চিকিৎসার ব্যবস্থা করার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে।

‎এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের সহ লাশ হস্তান্তরের জন্য মণিরামপুর থানা পুলিশের কার্যক্রম চলমান ছিলো।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

যশোরের মণিরামপুরে হাতুড়ী ডাক্তারের ভুল চিকিৎসায় গৃহবধু’র মৃত্যুর অভিযোগ 

Update Time : ০৪:৪২:০৮ pm, Tuesday, ২৮ অক্টোবর ২০২৫
১১৭

আবু রায়হান, মণিরামপুর প্রতিনিধিঃ স্বামী প্রবাসে ছিলেন,নিজের ছেলেকেও পাঠিয়েছেন বিদেশে,বাড়িতে মেয়ের বিয়ের তোড়জোড় ,চলছে অর্থ-সম্পদের নাই কোনো সংকট! তবুও দীর্ঘদিন যাবত জ্বর-স্বাষকষ্টে ভুগে অবশেষে হাসপাতালের চিকিৎসকের তত্বাবধানে প্রাথমিক চিকিৎসারত অবস্থায় মোছাঃ সেলিনা খাতুন(৩৬) নামের এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। মৃত নারী মণিরামপুর উপজেলার মাহমুদকাঠি গ্রামের বেকারী ব্যাবসায়ী মোঃ জলিলের স্ত্রী।

‎রোগী জরুরী বিভাগে আসা মুহূর্তেই ভর্তির সময়ে অবস্থা অনেক খারাপ ছিলো এই মর্মে চলতি এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন মণিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক (আরএমও) অনুপ বসু,আর রোগীর বড় ভাই দাবী করছেন অনকেদিন যাবত তার বোন জ্বরে পড়েছিলেন,গ্রামের এক পল্লী চিকিৎসকের পরামর্শে চলতি ১৮-২০দিন ধরে ঔষধ সেবন করে আসছিলেন।

‎তথ্যমতে,রোগীর ভাই সহ কয়েকজন মঙ্গলবার (২৮শে অক্টোবর) মঙ্গলবার বেলা ১২টার দিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সেলিনা খাতুন’কে (৩৬) শরীরে জ্বর ও শাসকষ্টের সমস্যা নিয়ে আসে।জরুরী বিভাগ হতে তাৎক্ষণিক প্রাথমিক চিকিৎসা (কর্টসন) দিয়ে মহিলা ওয়ার্ডে প্রেরন করলে রোগীর হাতে কেনালা যুক্ত করার পূর্বে গৃহবধূর মৃত্যু হয় বলে জানান কর্তব্যরত চিকিৎসক।

‎উপস্থিত মৃত সেলিনা খাতুনের বড় ভাই জানান,১৮-২০দিন যাবত আমার বোন অসুস্থ্য থাকলেও স্থানীয় পল্লী চিকিৎসক ছাড়া ভালো চিকিৎসা দেয়নি বোনের জামায় জালিল।বাড়িতে বোনের(সেলিনা) মেয়ের বিয়ের তোড়জোড় চলছিলো,কাল-পরশু বিয়ের কথা আছে।তার আগেই গতকাল রাতে হঠাৎ শাসকষ্ঠ বেড়ে গেলে সকালে হাসপাতালে নিয়ে আসে।

‎মণিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে র আবাসিক স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ও কর্তব্যরত ডাঃ অনুপ বসু জানান,রোগীর অবস্থা আশংকাজনক ছিলো।আমাদের এখানে আসা মাত্র চিকিৎসার ব্যবস্থা করার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে।

‎এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের সহ লাশ হস্তান্তরের জন্য মণিরামপুর থানা পুলিশের কার্যক্রম চলমান ছিলো।