Rowmari - Kurigram 7:40 am, Tuesday, 3 March 2026
Notice:
Welcome To Our Website...www.notunkalom.com 👉এতদ্বারা দৈনিক নতুন কলমের সাংবাদিক, পাঠক ও শুভানুধ্যায়ীদের জানানো যাচ্ছে যে বাংলা মাধ্যম থেকে ইংরেজি মাধ্যমে রূপান্তরের ফলে পত্রিকার নাম পরিবর্তন করে “Daily Notun Kalom” করা হয়েছে। আজ থেকে পত্রিকাটির সকল সংবাদ ইংরেজি ভাষায় প্রকাশ করা হবে। 👉 This is to inform our journalists, readers, and well-wishers that Dainik Notun Kolom has transitioned from Bangla to English and will now be published as “Daily Notun Kalom.” All news will be published in English from today onward.👉

মণিরামপুর থানা গেট যখন ইঞ্জিন ভ্যান স্টান্ড! ‎

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৩:০২:৪৩ pm, Wednesday, ১৯ নভেম্বর ২০২৫
  • 62 Time View
১৩৫

আবু রায়হান, মণিরামপুর প্রতিনিধিঃ  ছবিটি একটু দূর হতে দেখলেই মনে হবে এটা মণিরামপুর হইতে ঢাকুরিয়া বা মণিরামপুর টু হোগলাডাংগা বাজারে যাওয়ার ইন্জিন চালিত ভ্যান স্ট্যান্ড। তবে একটু উপরে তাকালেই  বোঝা যাবে এটা মণিরামপুর থানা গেট। তবে হ্যা,এই থানা গেটের ভ্রাম্যমান স্টান্ড থেকে দৈনিক ইন্জিন চালিত ভ্যান ছেড়ে যায় দূর-দূরান্তের বিভিন্ন স্থানে।

‎মণিরামপুর থানা গেটের সামনেই প্রতিদিন দেখা যাচ্ছে এ অবৈধ মোটরচালিত ভ্যান, ইজিবাইকের উপচেপড়া ভীড়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চোখের সামনেই বেড় চলেছে এই নিষিদ্ধ যানবাহনের স্ট্যান্ড গড়ে তোলার প্রতিযোগিতা। ফলে থানা গেটের আশপাশের সড়কে সৃষ্টি হচ্ছে ভয়াবহ যানজট ও বিশৃঙ্খলা। থানা গেটের সামনেই যেনো ইন্জিন ভ্যান “স্ট্যান্ড”!  এখন প্রশ্ন প্রশাসনের নাকের ডগায় কে তৈরি করলো এই অবৈধ যানের বৈধ স্টান্ড ?

‎সরেজমিনে চর্তুরমুখি স্থাপনা, চাউল পট্টি, মাছ বাজার, কাঁচা বাজার, মুরগী হাট, ও উপজেলার বিএনপি’র কার্যালয়ে প্রবেশদ্বারে দৃশ্যমান আছে যে, প্রতিদিন ফজরের নামাজ শেষ হতে থেকে গভীর রাত পর্যন্ত থানা গেটের ঠিক সামনে থেকেই শুরু হয় মোটরচালিত ভ্যান, নসিমন, মাছের গাড়ি, সবজি গাড়ি, ধান -চাউলের গাড়ি ও থানায় আগত সেবাগ্রহীতাদের ওঠানামা। এসব যানবাহন থানা চত্বরে ঢুকে পড়ছে, আবার অনেক সময় জরুরী মুহুর্তে বা পেট্রল ডিউটির পাশাপাশি পুলিশ সদস্যদের সরকারি যানবাহনের চলাচলও বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে এমন পরিস্থিতি চললেও প্রশাসনের দৃশ্যমান কোনো উদ্যোগ নেই বলে অভিযোগ স্থানীয় ও ভুক্তভোগীদের।

‎নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক থানা গেটের পাশের এক ব্যবসায়ী বলেন ,সব সময় থানার সামনে এভাবে ভ্যান স্ট্যান্ড হলে এলাকাটা সবসময় জ্যামে থাকে। শব্দ দূষণও বাড়ছে, আর পুলিশ কিছু বলে না।”
‎আরেক ব্যবসায়ী বলেন,নিষিদ্ধ যানবাহন গুলো এখানেই পার্কিং করে রাখে। সকালে স্কুলগামী বাচ্চারা ঠিকমতো হাঁটতেও পারে না।

‎স্থানীয়দের মতে, থানার সামনে এই অবৈধ যান চলাচল পুলিশ প্রশাসনের উদাসীনতারই প্রমাণ। অনেকে মনে করছেন, প্রশাসনের ‘নীরব সম্মতি’ থাকায় এসব চালকরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।
‎এ বিষয়ে মণিরামপুর থানা কর্তৃপক্ষ বলছে,
‎থানা গেটের সামনে ভ্যান বা ইজিবাইক রাখার কোনো অনুমতি নেই। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

‎সচেতন মহলের দাবী,নিষিদ্ধ যান চলাচল ঠেকাতে প্রশাসনের কঠোর নির্দেশনা থাকলেও মাঠ পর্যায়ে তার প্রয়োগ নেই। থানা গেটের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থানে যদি আইন অমান্য হয়! তবে জনসাধারণের চলাচল সড়কে শৃঙ্খলা বজায় রাখবে কারা?

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

মণিরামপুর থানা গেট যখন ইঞ্জিন ভ্যান স্টান্ড! ‎

Update Time : ০৩:০২:৪৩ pm, Wednesday, ১৯ নভেম্বর ২০২৫
১৩৫

আবু রায়হান, মণিরামপুর প্রতিনিধিঃ  ছবিটি একটু দূর হতে দেখলেই মনে হবে এটা মণিরামপুর হইতে ঢাকুরিয়া বা মণিরামপুর টু হোগলাডাংগা বাজারে যাওয়ার ইন্জিন চালিত ভ্যান স্ট্যান্ড। তবে একটু উপরে তাকালেই  বোঝা যাবে এটা মণিরামপুর থানা গেট। তবে হ্যা,এই থানা গেটের ভ্রাম্যমান স্টান্ড থেকে দৈনিক ইন্জিন চালিত ভ্যান ছেড়ে যায় দূর-দূরান্তের বিভিন্ন স্থানে।

‎মণিরামপুর থানা গেটের সামনেই প্রতিদিন দেখা যাচ্ছে এ অবৈধ মোটরচালিত ভ্যান, ইজিবাইকের উপচেপড়া ভীড়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চোখের সামনেই বেড় চলেছে এই নিষিদ্ধ যানবাহনের স্ট্যান্ড গড়ে তোলার প্রতিযোগিতা। ফলে থানা গেটের আশপাশের সড়কে সৃষ্টি হচ্ছে ভয়াবহ যানজট ও বিশৃঙ্খলা। থানা গেটের সামনেই যেনো ইন্জিন ভ্যান “স্ট্যান্ড”!  এখন প্রশ্ন প্রশাসনের নাকের ডগায় কে তৈরি করলো এই অবৈধ যানের বৈধ স্টান্ড ?

‎সরেজমিনে চর্তুরমুখি স্থাপনা, চাউল পট্টি, মাছ বাজার, কাঁচা বাজার, মুরগী হাট, ও উপজেলার বিএনপি’র কার্যালয়ে প্রবেশদ্বারে দৃশ্যমান আছে যে, প্রতিদিন ফজরের নামাজ শেষ হতে থেকে গভীর রাত পর্যন্ত থানা গেটের ঠিক সামনে থেকেই শুরু হয় মোটরচালিত ভ্যান, নসিমন, মাছের গাড়ি, সবজি গাড়ি, ধান -চাউলের গাড়ি ও থানায় আগত সেবাগ্রহীতাদের ওঠানামা। এসব যানবাহন থানা চত্বরে ঢুকে পড়ছে, আবার অনেক সময় জরুরী মুহুর্তে বা পেট্রল ডিউটির পাশাপাশি পুলিশ সদস্যদের সরকারি যানবাহনের চলাচলও বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে এমন পরিস্থিতি চললেও প্রশাসনের দৃশ্যমান কোনো উদ্যোগ নেই বলে অভিযোগ স্থানীয় ও ভুক্তভোগীদের।

‎নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক থানা গেটের পাশের এক ব্যবসায়ী বলেন ,সব সময় থানার সামনে এভাবে ভ্যান স্ট্যান্ড হলে এলাকাটা সবসময় জ্যামে থাকে। শব্দ দূষণও বাড়ছে, আর পুলিশ কিছু বলে না।”
‎আরেক ব্যবসায়ী বলেন,নিষিদ্ধ যানবাহন গুলো এখানেই পার্কিং করে রাখে। সকালে স্কুলগামী বাচ্চারা ঠিকমতো হাঁটতেও পারে না।

‎স্থানীয়দের মতে, থানার সামনে এই অবৈধ যান চলাচল পুলিশ প্রশাসনের উদাসীনতারই প্রমাণ। অনেকে মনে করছেন, প্রশাসনের ‘নীরব সম্মতি’ থাকায় এসব চালকরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।
‎এ বিষয়ে মণিরামপুর থানা কর্তৃপক্ষ বলছে,
‎থানা গেটের সামনে ভ্যান বা ইজিবাইক রাখার কোনো অনুমতি নেই। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

‎সচেতন মহলের দাবী,নিষিদ্ধ যান চলাচল ঠেকাতে প্রশাসনের কঠোর নির্দেশনা থাকলেও মাঠ পর্যায়ে তার প্রয়োগ নেই। থানা গেটের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থানে যদি আইন অমান্য হয়! তবে জনসাধারণের চলাচল সড়কে শৃঙ্খলা বজায় রাখবে কারা?