রৌমারী - কুড়িগ্রাম ০৫:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ভারটেক্স মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজে কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা ও নবীনবরণ অনুষ্ঠিত মণিরামপুরে প্রশিক্ষণ শেষে উপকরণ ও উৎসাহ বোনাস বিতরণে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আবুল হাশেমের জানাজা সম্পন্ন, শোকের ছায়া রৌমারীতে ঝালকাঠিতে জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ-২৬  প্রতিযোগিতায় বক্তৃতায় জেলায় প্রথম স্থান আফিয়া তাসনিম রৌমারীতে সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে মোবাইল কোর্ট, জরিমানা ২৫ হাজার টাকা সংবাদ সম্মেলনে আওয়ামী লীগের দুই নেতার পদত্যাগ গাজীপুরের কালিয়াকৈরে মাদ্রাসা ও এতিম শীতার্ত শিক্ষার্থীদের মাঝে কম্বল বিতরণ অনুষ্ঠান Protest Rally Held in Pirojpur Against the Killing of Swechchhasebak Dal Leader Musabbir স্বেচ্ছাসেবক দলনেতা মুসাব্বিরকে গুলি করে হত্যার প্রতিবাদে পিরোজপুরে বিক্ষোভ Alhaj Mostafizur Rahman Mostak Emphasizes Development and Public Welfare in Kurigram-4
সর্বশেষ সংবাদ :
ভারটেক্স মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজে কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা ও নবীনবরণ অনুষ্ঠিত মণিরামপুরে প্রশিক্ষণ শেষে উপকরণ ও উৎসাহ বোনাস বিতরণে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আবুল হাশেমের জানাজা সম্পন্ন, শোকের ছায়া রৌমারীতে ঝালকাঠিতে জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ-২৬  প্রতিযোগিতায় বক্তৃতায় জেলায় প্রথম স্থান আফিয়া তাসনিম রৌমারীতে সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে মোবাইল কোর্ট, জরিমানা ২৫ হাজার টাকা সংবাদ সম্মেলনে আওয়ামী লীগের দুই নেতার পদত্যাগ গাজীপুরের কালিয়াকৈরে মাদ্রাসা ও এতিম শীতার্ত শিক্ষার্থীদের মাঝে কম্বল বিতরণ অনুষ্ঠান Protest Rally Held in Pirojpur Against the Killing of Swechchhasebak Dal Leader Musabbir স্বেচ্ছাসেবক দলনেতা মুসাব্বিরকে গুলি করে হত্যার প্রতিবাদে পিরোজপুরে বিক্ষোভ Alhaj Mostafizur Rahman Mostak Emphasizes Development and Public Welfare in Kurigram-4

রৌমারীতে ফসলি জমি অবৈধ দখলের চেষ্টার অভিযোগ

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৩:৩৯:৪১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ নভেম্বর ২০২৫
  • ৬৪ Time View
১৩০

রৌমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি

কুড়িগ্রামের রৌমারীতে ঝুনকিরচর গ্রামে বাকাত আলী ওয়ারিশ গং দীর্ঘ ৮৭ বছর ধরে ভোগ দখল কওে আসছেন। সেই জমি অবৈধভাবে দখলের চেষ্টা করছেন একই গ্রামের মৃত কাজিম উদ্দিনের ওয়ারিশ আব্দুল হামিদ ও তার লোকজন দখলের চেষ্টা করছে বলে এমন অভিযোগ উঠেছে।

জানা গেছে, সরকারি আইন অনুযায়ী ক্রয়সূত্রে মালিকানা, রেকর্ড সংশোধন, খারিজ এবং নিয়মিত খাজনা পরিশোধ করেও বাকাত গং সম্প্রতি জবরদখলের হুমকির মুখে পড়েছেন। অভিযোগ উঠেছে— কাজিম উদ্দিনের নাতি আব্দুল হামিদ তাঁর দাদার বহু আগে বিক্রিত জমি অন্যায়ভাবে ভোগদখলের লক্ষ্যে বাকাত গং-এর সাথে বিরোধ চলে আসছে।

জমি হস্তান্তরের ইতিহাস, তথ্য মতে খঞ্জনমারা মৌজার রায়াতি প্রজা কাজিম উদ্দিন আর্থিক অভাবের কারণে ১৩৪৫ সালে ১ একর ৬৫ শতাংশ জমি বাকাত আলীর নিকট বিক্রি করেন। পরবর্তীতে এসএ রেকর্ড তৈরির সময় তিনি নিজ উপস্থিতিতে খতিয়ান নং ৩৬০-এ ৩ একর ১০ শতাংশ জমি দুই পক্ষের মধ্যে সমানভাবে রেকর্ড সম্পন্ন করেন। একইভাবে এসএ খতিয়ান ৩৬১-এ ৮৩ শতাংশ জমির মধ্যে কাজিম উদ্দিন ১০ গন্ডা, বাকাত আলী ১০ গন্ডা এবং দুখী শেখ ১৪ আনা হিসেবে রেকর্ড চুড়ান্ত করা হয়। পরবর্তীতে আরএস জরিপেও দুই পক্ষের উপস্থিতিতে আরএস ৬০৬ খতিয়ানে কাজিম উদ্দিন ৬২ পয়েন্ট এবং বাকাত আলী ৩৮ পয়েন্ট ভোগদখল দেখিয়ে মোট ৩ একর ৬ শতাংশ রেকর্ড করা হয়। এসএ ও আরএস রেকর্ডের পার্থক্যের কারণে ২৯ শতাংশ জমি সরকারিভাবে ১ নং খাস খতিয়ানে অন্তর্ভুক্ত হয়, যার প্রেক্ষিতে বাকাত গং আদালতে সিভিল মামলা দায়ের করেন।

বাকাত আলীর মৃত্যু হলে তাঁর ৪ পুত্র ও ২ কন্যা ওয়ারিশ হন। পরবর্তীতে ৩ পুত্র ও ১ কন্যার মুত্যৃ হলে তাঁদের ওয়ারিশদের সাথে বর্তমানে জীবিত ছোট ছেলে ইমান আলী ও বড় মেয়ে ফেলানী বেগম জমিটি ভোগদখল করে আসছেন। তারা নিয়মিত খারিজ, খাজনা ও হোল্ডিং পরিশোধ করে জমির মালিকানা বজায় রেখেছেন। উক্ত এসএ ৩৬০ খতিয়ানভুক্ত ১ একর ৬৫ শতাংশ জমি এবং সংশ্লিষ্ট আরএস দাগ নং ২১৭৮, ২০৮১, ২০৮০, ২০৭৯, ২১৭৭, ২০৪২, ২১৮০— এসব দাগের মধ্যে বাকাত গং ২০৭৯ এবং ২১৮০ দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখলে রয়েছে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বাকাত গং তাঁদের নিজ নামীয় জমিতে হালচাষ করে ভুট্টা রোপণ করছেন। অপরদিকে, অভিযোগ রয়েছে মামুদ আলীর পুত্র ইমান আলী দাদার বহু আগে বিক্রিত জমি পুনরায় দখল করার উদ্দেশ্যে বাকাত গং-এর সাথে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ সৃষ্টি করে আসছেন। বর্তমানে জমি নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে তীব্র উত্তেজনা কুড়িগ্রাম আদালতে বিচারাধীন।

বিবাদী পরিবারের সাথে কথা হলে তারা বলেন, আমাদেরও  কাগজ আছে। তারা আমাদের সাথে অন্যায় করতেছে। এটার ন্যায় বিচার চাই।

বাদি ইমান আলী বলেন, দীর্ঘদিন থেকে আমরা ভোগ দখল ও ফসল চাষাবাদ করে আসছি। কিন্তুু হামিদ জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা করছে এটার বিচার চাই। রৌমারী থানার অফিসার ইনচার্জ সেলিম মালিক বলেন, ওই জমি নিয়ে কোটে মামলা আছে সুতরাং কোট থেকে সমাধান দিবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

আলোচিত সংবাদ

ভারটেক্স মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজে কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা ও নবীনবরণ অনুষ্ঠিত

রৌমারীতে ফসলি জমি অবৈধ দখলের চেষ্টার অভিযোগ

Update Time : ০৩:৩৯:৪১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ নভেম্বর ২০২৫
১৩০

রৌমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি

কুড়িগ্রামের রৌমারীতে ঝুনকিরচর গ্রামে বাকাত আলী ওয়ারিশ গং দীর্ঘ ৮৭ বছর ধরে ভোগ দখল কওে আসছেন। সেই জমি অবৈধভাবে দখলের চেষ্টা করছেন একই গ্রামের মৃত কাজিম উদ্দিনের ওয়ারিশ আব্দুল হামিদ ও তার লোকজন দখলের চেষ্টা করছে বলে এমন অভিযোগ উঠেছে।

জানা গেছে, সরকারি আইন অনুযায়ী ক্রয়সূত্রে মালিকানা, রেকর্ড সংশোধন, খারিজ এবং নিয়মিত খাজনা পরিশোধ করেও বাকাত গং সম্প্রতি জবরদখলের হুমকির মুখে পড়েছেন। অভিযোগ উঠেছে— কাজিম উদ্দিনের নাতি আব্দুল হামিদ তাঁর দাদার বহু আগে বিক্রিত জমি অন্যায়ভাবে ভোগদখলের লক্ষ্যে বাকাত গং-এর সাথে বিরোধ চলে আসছে।

জমি হস্তান্তরের ইতিহাস, তথ্য মতে খঞ্জনমারা মৌজার রায়াতি প্রজা কাজিম উদ্দিন আর্থিক অভাবের কারণে ১৩৪৫ সালে ১ একর ৬৫ শতাংশ জমি বাকাত আলীর নিকট বিক্রি করেন। পরবর্তীতে এসএ রেকর্ড তৈরির সময় তিনি নিজ উপস্থিতিতে খতিয়ান নং ৩৬০-এ ৩ একর ১০ শতাংশ জমি দুই পক্ষের মধ্যে সমানভাবে রেকর্ড সম্পন্ন করেন। একইভাবে এসএ খতিয়ান ৩৬১-এ ৮৩ শতাংশ জমির মধ্যে কাজিম উদ্দিন ১০ গন্ডা, বাকাত আলী ১০ গন্ডা এবং দুখী শেখ ১৪ আনা হিসেবে রেকর্ড চুড়ান্ত করা হয়। পরবর্তীতে আরএস জরিপেও দুই পক্ষের উপস্থিতিতে আরএস ৬০৬ খতিয়ানে কাজিম উদ্দিন ৬২ পয়েন্ট এবং বাকাত আলী ৩৮ পয়েন্ট ভোগদখল দেখিয়ে মোট ৩ একর ৬ শতাংশ রেকর্ড করা হয়। এসএ ও আরএস রেকর্ডের পার্থক্যের কারণে ২৯ শতাংশ জমি সরকারিভাবে ১ নং খাস খতিয়ানে অন্তর্ভুক্ত হয়, যার প্রেক্ষিতে বাকাত গং আদালতে সিভিল মামলা দায়ের করেন।

বাকাত আলীর মৃত্যু হলে তাঁর ৪ পুত্র ও ২ কন্যা ওয়ারিশ হন। পরবর্তীতে ৩ পুত্র ও ১ কন্যার মুত্যৃ হলে তাঁদের ওয়ারিশদের সাথে বর্তমানে জীবিত ছোট ছেলে ইমান আলী ও বড় মেয়ে ফেলানী বেগম জমিটি ভোগদখল করে আসছেন। তারা নিয়মিত খারিজ, খাজনা ও হোল্ডিং পরিশোধ করে জমির মালিকানা বজায় রেখেছেন। উক্ত এসএ ৩৬০ খতিয়ানভুক্ত ১ একর ৬৫ শতাংশ জমি এবং সংশ্লিষ্ট আরএস দাগ নং ২১৭৮, ২০৮১, ২০৮০, ২০৭৯, ২১৭৭, ২০৪২, ২১৮০— এসব দাগের মধ্যে বাকাত গং ২০৭৯ এবং ২১৮০ দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখলে রয়েছে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বাকাত গং তাঁদের নিজ নামীয় জমিতে হালচাষ করে ভুট্টা রোপণ করছেন। অপরদিকে, অভিযোগ রয়েছে মামুদ আলীর পুত্র ইমান আলী দাদার বহু আগে বিক্রিত জমি পুনরায় দখল করার উদ্দেশ্যে বাকাত গং-এর সাথে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ সৃষ্টি করে আসছেন। বর্তমানে জমি নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে তীব্র উত্তেজনা কুড়িগ্রাম আদালতে বিচারাধীন।

বিবাদী পরিবারের সাথে কথা হলে তারা বলেন, আমাদেরও  কাগজ আছে। তারা আমাদের সাথে অন্যায় করতেছে। এটার ন্যায় বিচার চাই।

বাদি ইমান আলী বলেন, দীর্ঘদিন থেকে আমরা ভোগ দখল ও ফসল চাষাবাদ করে আসছি। কিন্তুু হামিদ জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা করছে এটার বিচার চাই। রৌমারী থানার অফিসার ইনচার্জ সেলিম মালিক বলেন, ওই জমি নিয়ে কোটে মামলা আছে সুতরাং কোট থেকে সমাধান দিবে।