রৌমারী - কুড়িগ্রাম ০৩:২৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
যশোরের মণিরামপুরে দুই ঘন্টার কর্মবিরতিতে সেবা বন্ধে রোগীদের ক্ষোভ! ‎ নির্বাচনী প্রচারনা স্থগিতঃ ‎মণিরামপুরে বিভিন্ন স্থানে খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় বিশেষ দোয়া পিরোজপুর জেলা সরকারি চাকুরিজীবী কল্যাণ পরিষদের বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত,সভাপতি শামসুদ্দোহা- সম্পাদক সাদ্দাম চুয়াডাঙ্গার গয়েশপুর সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি ‘মাদককারবারী’ আহত: পরিবার বলছে নিহত, চলছে শোকের মাতম ‎মণিরামপুরে শিক্ষানীতি বহির্ভূত কর্মকান্ডে সম্পৃক্ত প্রধান শিক্ষক মান্নান শোকজ!করছেন দৌড়ঝাঁপ রাজাপুরে বৈদ্যুতিক শর্ট-সার্কিটে দিনমজুর “ফজলুর” বসতঘর পুড়ে ছাই, খোলা আকাশের নিচে নিঃস্ব পরিবার!! চুয়াডাঙ্গা যৌথবাহিনীর অভিযানে তিনজন গ্রেফতার বোমা, দেশীয় অস্ত্র ও হরিণের চামড়া উদ্ধার। মণিরামপুরের দূর্বাডাঙ্গায় আট দলীয় ফাইনাল ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত গাজীপুরের সফিপুরে বাউল আবুল সরকারের ফাঁসির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত।
সর্বশেষ সংবাদ :
যশোরের মণিরামপুরে দুই ঘন্টার কর্মবিরতিতে সেবা বন্ধে রোগীদের ক্ষোভ! ‎ নির্বাচনী প্রচারনা স্থগিতঃ ‎মণিরামপুরে বিভিন্ন স্থানে খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় বিশেষ দোয়া পিরোজপুর জেলা সরকারি চাকুরিজীবী কল্যাণ পরিষদের বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত,সভাপতি শামসুদ্দোহা- সম্পাদক সাদ্দাম চুয়াডাঙ্গার গয়েশপুর সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি ‘মাদককারবারী’ আহত: পরিবার বলছে নিহত, চলছে শোকের মাতম ‎মণিরামপুরে শিক্ষানীতি বহির্ভূত কর্মকান্ডে সম্পৃক্ত প্রধান শিক্ষক মান্নান শোকজ!করছেন দৌড়ঝাঁপ রাজাপুরে বৈদ্যুতিক শর্ট-সার্কিটে দিনমজুর “ফজলুর” বসতঘর পুড়ে ছাই, খোলা আকাশের নিচে নিঃস্ব পরিবার!! চুয়াডাঙ্গা যৌথবাহিনীর অভিযানে তিনজন গ্রেফতার বোমা, দেশীয় অস্ত্র ও হরিণের চামড়া উদ্ধার। মণিরামপুরের দূর্বাডাঙ্গায় আট দলীয় ফাইনাল ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত গাজীপুরের সফিপুরে বাউল আবুল সরকারের ফাঁসির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত।

রৌমারীতে ফসলি জমি অবৈধ দখলের চেষ্টার অভিযোগ

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৩:৩৯:৪১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ নভেম্বর ২০২৫
  • ১৪ Time View

রৌমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি

কুড়িগ্রামের রৌমারীতে ঝুনকিরচর গ্রামে বাকাত আলী ওয়ারিশ গং দীর্ঘ ৮৭ বছর ধরে ভোগ দখল কওে আসছেন। সেই জমি অবৈধভাবে দখলের চেষ্টা করছেন একই গ্রামের মৃত কাজিম উদ্দিনের ওয়ারিশ আব্দুল হামিদ ও তার লোকজন দখলের চেষ্টা করছে বলে এমন অভিযোগ উঠেছে।

জানা গেছে, সরকারি আইন অনুযায়ী ক্রয়সূত্রে মালিকানা, রেকর্ড সংশোধন, খারিজ এবং নিয়মিত খাজনা পরিশোধ করেও বাকাত গং সম্প্রতি জবরদখলের হুমকির মুখে পড়েছেন। অভিযোগ উঠেছে— কাজিম উদ্দিনের নাতি আব্দুল হামিদ তাঁর দাদার বহু আগে বিক্রিত জমি অন্যায়ভাবে ভোগদখলের লক্ষ্যে বাকাত গং-এর সাথে বিরোধ চলে আসছে।

জমি হস্তান্তরের ইতিহাস, তথ্য মতে খঞ্জনমারা মৌজার রায়াতি প্রজা কাজিম উদ্দিন আর্থিক অভাবের কারণে ১৩৪৫ সালে ১ একর ৬৫ শতাংশ জমি বাকাত আলীর নিকট বিক্রি করেন। পরবর্তীতে এসএ রেকর্ড তৈরির সময় তিনি নিজ উপস্থিতিতে খতিয়ান নং ৩৬০-এ ৩ একর ১০ শতাংশ জমি দুই পক্ষের মধ্যে সমানভাবে রেকর্ড সম্পন্ন করেন। একইভাবে এসএ খতিয়ান ৩৬১-এ ৮৩ শতাংশ জমির মধ্যে কাজিম উদ্দিন ১০ গন্ডা, বাকাত আলী ১০ গন্ডা এবং দুখী শেখ ১৪ আনা হিসেবে রেকর্ড চুড়ান্ত করা হয়। পরবর্তীতে আরএস জরিপেও দুই পক্ষের উপস্থিতিতে আরএস ৬০৬ খতিয়ানে কাজিম উদ্দিন ৬২ পয়েন্ট এবং বাকাত আলী ৩৮ পয়েন্ট ভোগদখল দেখিয়ে মোট ৩ একর ৬ শতাংশ রেকর্ড করা হয়। এসএ ও আরএস রেকর্ডের পার্থক্যের কারণে ২৯ শতাংশ জমি সরকারিভাবে ১ নং খাস খতিয়ানে অন্তর্ভুক্ত হয়, যার প্রেক্ষিতে বাকাত গং আদালতে সিভিল মামলা দায়ের করেন।

বাকাত আলীর মৃত্যু হলে তাঁর ৪ পুত্র ও ২ কন্যা ওয়ারিশ হন। পরবর্তীতে ৩ পুত্র ও ১ কন্যার মুত্যৃ হলে তাঁদের ওয়ারিশদের সাথে বর্তমানে জীবিত ছোট ছেলে ইমান আলী ও বড় মেয়ে ফেলানী বেগম জমিটি ভোগদখল করে আসছেন। তারা নিয়মিত খারিজ, খাজনা ও হোল্ডিং পরিশোধ করে জমির মালিকানা বজায় রেখেছেন। উক্ত এসএ ৩৬০ খতিয়ানভুক্ত ১ একর ৬৫ শতাংশ জমি এবং সংশ্লিষ্ট আরএস দাগ নং ২১৭৮, ২০৮১, ২০৮০, ২০৭৯, ২১৭৭, ২০৪২, ২১৮০— এসব দাগের মধ্যে বাকাত গং ২০৭৯ এবং ২১৮০ দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখলে রয়েছে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বাকাত গং তাঁদের নিজ নামীয় জমিতে হালচাষ করে ভুট্টা রোপণ করছেন। অপরদিকে, অভিযোগ রয়েছে মামুদ আলীর পুত্র ইমান আলী দাদার বহু আগে বিক্রিত জমি পুনরায় দখল করার উদ্দেশ্যে বাকাত গং-এর সাথে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ সৃষ্টি করে আসছেন। বর্তমানে জমি নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে তীব্র উত্তেজনা কুড়িগ্রাম আদালতে বিচারাধীন।

বিবাদী পরিবারের সাথে কথা হলে তারা বলেন, আমাদেরও  কাগজ আছে। তারা আমাদের সাথে অন্যায় করতেছে। এটার ন্যায় বিচার চাই।

বাদি ইমান আলী বলেন, দীর্ঘদিন থেকে আমরা ভোগ দখল ও ফসল চাষাবাদ করে আসছি। কিন্তুু হামিদ জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা করছে এটার বিচার চাই। রৌমারী থানার অফিসার ইনচার্জ সেলিম মালিক বলেন, ওই জমি নিয়ে কোটে মামলা আছে সুতরাং কোট থেকে সমাধান দিবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

আলোচিত সংবাদ

যশোরের মণিরামপুরে দুই ঘন্টার কর্মবিরতিতে সেবা বন্ধে রোগীদের ক্ষোভ! ‎

রৌমারীতে ফসলি জমি অবৈধ দখলের চেষ্টার অভিযোগ

Update Time : ০৩:৩৯:৪১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ নভেম্বর ২০২৫

রৌমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি

কুড়িগ্রামের রৌমারীতে ঝুনকিরচর গ্রামে বাকাত আলী ওয়ারিশ গং দীর্ঘ ৮৭ বছর ধরে ভোগ দখল কওে আসছেন। সেই জমি অবৈধভাবে দখলের চেষ্টা করছেন একই গ্রামের মৃত কাজিম উদ্দিনের ওয়ারিশ আব্দুল হামিদ ও তার লোকজন দখলের চেষ্টা করছে বলে এমন অভিযোগ উঠেছে।

জানা গেছে, সরকারি আইন অনুযায়ী ক্রয়সূত্রে মালিকানা, রেকর্ড সংশোধন, খারিজ এবং নিয়মিত খাজনা পরিশোধ করেও বাকাত গং সম্প্রতি জবরদখলের হুমকির মুখে পড়েছেন। অভিযোগ উঠেছে— কাজিম উদ্দিনের নাতি আব্দুল হামিদ তাঁর দাদার বহু আগে বিক্রিত জমি অন্যায়ভাবে ভোগদখলের লক্ষ্যে বাকাত গং-এর সাথে বিরোধ চলে আসছে।

জমি হস্তান্তরের ইতিহাস, তথ্য মতে খঞ্জনমারা মৌজার রায়াতি প্রজা কাজিম উদ্দিন আর্থিক অভাবের কারণে ১৩৪৫ সালে ১ একর ৬৫ শতাংশ জমি বাকাত আলীর নিকট বিক্রি করেন। পরবর্তীতে এসএ রেকর্ড তৈরির সময় তিনি নিজ উপস্থিতিতে খতিয়ান নং ৩৬০-এ ৩ একর ১০ শতাংশ জমি দুই পক্ষের মধ্যে সমানভাবে রেকর্ড সম্পন্ন করেন। একইভাবে এসএ খতিয়ান ৩৬১-এ ৮৩ শতাংশ জমির মধ্যে কাজিম উদ্দিন ১০ গন্ডা, বাকাত আলী ১০ গন্ডা এবং দুখী শেখ ১৪ আনা হিসেবে রেকর্ড চুড়ান্ত করা হয়। পরবর্তীতে আরএস জরিপেও দুই পক্ষের উপস্থিতিতে আরএস ৬০৬ খতিয়ানে কাজিম উদ্দিন ৬২ পয়েন্ট এবং বাকাত আলী ৩৮ পয়েন্ট ভোগদখল দেখিয়ে মোট ৩ একর ৬ শতাংশ রেকর্ড করা হয়। এসএ ও আরএস রেকর্ডের পার্থক্যের কারণে ২৯ শতাংশ জমি সরকারিভাবে ১ নং খাস খতিয়ানে অন্তর্ভুক্ত হয়, যার প্রেক্ষিতে বাকাত গং আদালতে সিভিল মামলা দায়ের করেন।

বাকাত আলীর মৃত্যু হলে তাঁর ৪ পুত্র ও ২ কন্যা ওয়ারিশ হন। পরবর্তীতে ৩ পুত্র ও ১ কন্যার মুত্যৃ হলে তাঁদের ওয়ারিশদের সাথে বর্তমানে জীবিত ছোট ছেলে ইমান আলী ও বড় মেয়ে ফেলানী বেগম জমিটি ভোগদখল করে আসছেন। তারা নিয়মিত খারিজ, খাজনা ও হোল্ডিং পরিশোধ করে জমির মালিকানা বজায় রেখেছেন। উক্ত এসএ ৩৬০ খতিয়ানভুক্ত ১ একর ৬৫ শতাংশ জমি এবং সংশ্লিষ্ট আরএস দাগ নং ২১৭৮, ২০৮১, ২০৮০, ২০৭৯, ২১৭৭, ২০৪২, ২১৮০— এসব দাগের মধ্যে বাকাত গং ২০৭৯ এবং ২১৮০ দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখলে রয়েছে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বাকাত গং তাঁদের নিজ নামীয় জমিতে হালচাষ করে ভুট্টা রোপণ করছেন। অপরদিকে, অভিযোগ রয়েছে মামুদ আলীর পুত্র ইমান আলী দাদার বহু আগে বিক্রিত জমি পুনরায় দখল করার উদ্দেশ্যে বাকাত গং-এর সাথে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ সৃষ্টি করে আসছেন। বর্তমানে জমি নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে তীব্র উত্তেজনা কুড়িগ্রাম আদালতে বিচারাধীন।

বিবাদী পরিবারের সাথে কথা হলে তারা বলেন, আমাদেরও  কাগজ আছে। তারা আমাদের সাথে অন্যায় করতেছে। এটার ন্যায় বিচার চাই।

বাদি ইমান আলী বলেন, দীর্ঘদিন থেকে আমরা ভোগ দখল ও ফসল চাষাবাদ করে আসছি। কিন্তুু হামিদ জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা করছে এটার বিচার চাই। রৌমারী থানার অফিসার ইনচার্জ সেলিম মালিক বলেন, ওই জমি নিয়ে কোটে মামলা আছে সুতরাং কোট থেকে সমাধান দিবে।