Rowmari - Kurigram 11:14 am, Tuesday, 3 March 2026
Notice:
Welcome To Our Website...www.notunkalom.com 👉এতদ্বারা দৈনিক নতুন কলমের সাংবাদিক, পাঠক ও শুভানুধ্যায়ীদের জানানো যাচ্ছে যে বাংলা মাধ্যম থেকে ইংরেজি মাধ্যমে রূপান্তরের ফলে পত্রিকার নাম পরিবর্তন করে “Daily Notun Kalom” করা হয়েছে। আজ থেকে পত্রিকাটির সকল সংবাদ ইংরেজি ভাষায় প্রকাশ করা হবে। 👉 This is to inform our journalists, readers, and well-wishers that Dainik Notun Kolom has transitioned from Bangla to English and will now be published as “Daily Notun Kalom.” All news will be published in English from today onward.👉

গোপালপুর স্কুল এন্ড কলেজঃ ‎দুই মাসের ছুটি পেয়ে ৫ মাস অনুপস্থিত প্রধান রেজাউল করিমের বিরুদ্ধে নানান অভিযোগ!

  • Reporter Name
  • Update Time : ১০:০৯:১০ pm, Saturday, ১৩ ডিসেম্বর ২০২৫
  • 13 Time View
২৭

আবু রায়হান, মণিরামপুর প্রতিনিধি: দেশব্যাপী শিক্ষাঙ্গনে শান্তি শৃঙ্খলা ফেরাতে নানাবিধ ব্যাবস্থা গ্রহন সহ শিক্ষকদের প্রতি বিভিন্ন দিকনির্দেশনা মূলক শিক্ষানীতির নতুন অধ্যাদেশ জারি করেছে চলমান রাষ্ট্রীয় পরিচালনা করা সরকার।

‎২৪শের গনঅভ্যুত্থানের পর হতে বিভাগ,জেলা,মফস্বল পর্যন্ত সরকারি সকল দপ্তরের মধ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হতে ক্ষমতাচ্যুত আ’লীগ সরকারের দোসরদের বিভিন্ন অনিয়মের কারনে ইতিপূর্বে ব্যাবস্থা গ্রহনের তথ্য সংযুক্ত খবর প্রকাশ হয়েছে বিভিন্ন গনমাধ্যমে।
‎বিগত সরকারের আমলে মহান পেশা শিক্ষকতার পাশাপাশি একাধিক পেশায় সম্পৃক্ত থেকে সৈরাচারী শক্তিকে পুঁজি করে যে সমস্ত প্রতিষ্ঠানের প্রধান ও সহকারি শিক্ষকেরা ব্যাক্তি স্বার্থ হাচিলে অঢেল সম্পদ,আলিশান বাড়ি,নামীদামি সব গাড়ির মালিক হয়েছেন তাদের তালিকায় থাকা অধ্যক্ষ মোঃ রেজাউল করিমের বিরুদ্ধে একাদিক অভিযোগ উঠেছে। চলতি এ অনুসন্ধানে উঠে এসেছে যশোরের মণিরামপুর উপজেলার গোপালপুর স্কুল এন্ড কলেজের প্রধান অধ্যক্ষ রেজাউল করিমের সেচ্চাচারিতা,নিয়োগ বানিজ্য,শিক্ষক নিয়োগে স্বজনপ্রীতি, অদক্ষ শিক্ষক নিয়োগ,ফ্যাসিস্টের অস্তিত্ব জানানে ইন্দন,সাবেক প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্যের ঘনিষ্টতা সহ একাধিক অভিযোগের তথ্য।

‎তথ্য মোতাবেক, ১৯৯২ সালে সহকারি শিক্ষকের নিয়োগে গোপালপুর স্কুল এন্ড কলেজে যোগদান করেন মোঃ রেজাউল করিম।২০০৭ সালে আ’লীগ সরকার ক্ষমতায় আশার পরের বছর ২০০৮ সালেই সাবেক প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্যের স্ত্রী ও অত্র প্রতিষ্ঠানের সাবেক সভাপতি তন্দ্রা ভট্টাচার্যের আস্থাভাজন হয়ে প্রধান অধ্যক্ষের দায়িত্বে আসেন রেজাউল করিম। এরপর থেকে আর পেছনে ফিরে দেখেননি তিনি। প্রতিষ্ঠান কেন্দ্রীক বাদেও অসংখ্য আ’লীগের দলীয় প্রগ্রামে দেখা গেছে অধ্যক্ষ রেজাউল করিম’কে। অনুসন্ধান বলছে,২০১২ সালে গোপালপুর স্কুল এন্ড কলেজ এমপিও ভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আওতায় আসলে অধ্যক্ষ নিজেই দিতে থাকেন শিক্ষক নিয়োগ। যে সমস্ত নিয়োগ দিয়েছেন তার মধ্য উল্লেখযোগ্য অত্র প্রতিষ্ঠানের ক্রীড়া লিখতে না পারা ক্রীড়া শিক্ষক মোঃ আসাদুজ্জামান। যিনি ইতিপূর্বে ২০২৫ সালের আন্তস্কুল ফুটবল টুর্নামেন্টের জার্সিতে শেখ মুজিবের ছবি সম্বলিত বিতর্কিত বিষয়ে প্রশ্নবিদ্ধ হলেও সাবেক এডহক সভাপতি আবুল কালামের সাধারণ ক্ষমায় বহাল তবিয়তে কর্মরত আছেন। তথ্য আছে,এই আসাদুজ্জামানকে হাত করে পলাতক থাকা প্রধান অধ্যক্ষ রেজাউল করিম ফ্যাসিস্টদের অস্বিত্ব জানানের ইন্ধন দিয়েছেন।

‎দুই পর্বের অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের চলতি ১ম পর্বের তথ্য বলছে,চলতি বছরের জুলাই মাসে এডহক সভাপতি বরাবর ৮ মাসের ঐচ্ছিক ছুটির ৪ মাসের আবেদন করলে এডহক সভাপতি দুই মাসের ছুটি প্রদান করে। ভারপ্রাপ্ত অধক্ষ হিসাবে দায়িত্ব পান পলাশ ঘোষ,যিনি এখনো চলমান দায়িত্বে আছেন।তবে রেজাউল করিমের ছুটির দুই মাসের মেয়াদ সেপ্টেম্বরে শেষ হলেও এখনো তিনি আসেন না শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে।
‎গোপনতথ্য আছে, গনমাধ্যকর্মীদের প্রতিষ্ঠান কেন্দ্রীক তথ্য অনুসন্ধানের খবর অনুপস্থিত থাকা অধ্যক্ষ রেজাউল করিম জানতে পেরে মণিরামপুর বাজারস্থ আরেক শিক্ষকের মাধ্যমে নতুন অধ্যাদেশে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও অত্র প্রতিষ্ঠানের চলমান সভাপতির দায়িত্বে থাকা সদ্য বিদায়ী নিশাত তামান্না বরাবর অতিরিক্ত ছুটির আবেদন করলেও স্থানীয় রাজনৈতিক ও সচেতন মহলের দৃষ্টি গোচরীভূত হওয়াতে সেটি নাকচ করেন বলে পরিচয় গোপন স্বার্থে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন মণিরামপুর উপজেলা প্রশাসনের সাবেক এক কর্মকর্তা।

‎এদিকে আত্নগোপনে থাকা গোপালপুর স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ রেজাউল করিমের প্রতিষ্ঠান কেন্দ্রীক শিক্ষক সিন্ডিকেটের কয়েকজন সদস্য তাকে বহাল তবিয়তে পলাতক থাকতে সহায়তা করার বিভিন্ন মহলকে ম্যানেজ করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। অপরদিকে রেজাউল করিম ও তার ভাই হারুন-অর-রশিদের পরিকল্পিত নিয়োগ বানিজ্যের ফাঁদে পড়া ভুক্তভোগীরা প্রায়ই গেলে নাকি অধ্যক্ষ রেজাউল করিমের গ্রামের ফাকা পড়ে থাকা আলিশান বাড়িতে মাঝে মাঝে ভিড় করতে দেখা যায় !

‎একাধিক বার বিভিন্ন মাধ্যমে যোগাযোগ করে না পেয়ে গোপালপুর স্কুল এন্ড কলেজে গেলেও অভিযুক্ত প্রধান অধ্যক্ষ রেজাউল করিমের সাথে কোন ধরনের যোগাযোগ করা না গেলেও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর ছুটির আবেদন করা অধ্যক্ষের স্বাক্ষরিত ১টি কম্পিউটার কপি বিশ্বস্ত সূত্র মাধ্যমে হাতে পেয়ে এ বিষয়ে জানতে চাইলে মণিরামপুর উপজেলা নবাগত নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ সম্রাট হোসেন বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে বলে জানিয়েছেন। যদিও অধ্যক্ষ রেজাউল করিম নিজস্ব ঐচ্ছিক ছুটির ৮ মাসের প্রাপ্য বলে জানা গেছে তবুও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নির্দেশ অমান্য এবং ছুটির আবেদন বাতিলের বিষয়টি জানাজানি হওয়াতে প্রতিষ্ঠান কেন্দ্রীক নানা রকম সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে বলে জানা গেছে।
‎চলতি এ প্রতিবেদনে উল্লেখিত বাকি অভিযোগ গুলোর তথ্যবহুল অনুসন্ধানের সত্যতা নিশ্চিত হতে অপেক্ষা করুন! আমাদের অনুসন্ধান চলমান…..

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

গোপালপুর স্কুল এন্ড কলেজঃ ‎দুই মাসের ছুটি পেয়ে ৫ মাস অনুপস্থিত প্রধান রেজাউল করিমের বিরুদ্ধে নানান অভিযোগ!

Update Time : ১০:০৯:১০ pm, Saturday, ১৩ ডিসেম্বর ২০২৫
২৭

আবু রায়হান, মণিরামপুর প্রতিনিধি: দেশব্যাপী শিক্ষাঙ্গনে শান্তি শৃঙ্খলা ফেরাতে নানাবিধ ব্যাবস্থা গ্রহন সহ শিক্ষকদের প্রতি বিভিন্ন দিকনির্দেশনা মূলক শিক্ষানীতির নতুন অধ্যাদেশ জারি করেছে চলমান রাষ্ট্রীয় পরিচালনা করা সরকার।

‎২৪শের গনঅভ্যুত্থানের পর হতে বিভাগ,জেলা,মফস্বল পর্যন্ত সরকারি সকল দপ্তরের মধ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হতে ক্ষমতাচ্যুত আ’লীগ সরকারের দোসরদের বিভিন্ন অনিয়মের কারনে ইতিপূর্বে ব্যাবস্থা গ্রহনের তথ্য সংযুক্ত খবর প্রকাশ হয়েছে বিভিন্ন গনমাধ্যমে।
‎বিগত সরকারের আমলে মহান পেশা শিক্ষকতার পাশাপাশি একাধিক পেশায় সম্পৃক্ত থেকে সৈরাচারী শক্তিকে পুঁজি করে যে সমস্ত প্রতিষ্ঠানের প্রধান ও সহকারি শিক্ষকেরা ব্যাক্তি স্বার্থ হাচিলে অঢেল সম্পদ,আলিশান বাড়ি,নামীদামি সব গাড়ির মালিক হয়েছেন তাদের তালিকায় থাকা অধ্যক্ষ মোঃ রেজাউল করিমের বিরুদ্ধে একাদিক অভিযোগ উঠেছে। চলতি এ অনুসন্ধানে উঠে এসেছে যশোরের মণিরামপুর উপজেলার গোপালপুর স্কুল এন্ড কলেজের প্রধান অধ্যক্ষ রেজাউল করিমের সেচ্চাচারিতা,নিয়োগ বানিজ্য,শিক্ষক নিয়োগে স্বজনপ্রীতি, অদক্ষ শিক্ষক নিয়োগ,ফ্যাসিস্টের অস্তিত্ব জানানে ইন্দন,সাবেক প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্যের ঘনিষ্টতা সহ একাধিক অভিযোগের তথ্য।

‎তথ্য মোতাবেক, ১৯৯২ সালে সহকারি শিক্ষকের নিয়োগে গোপালপুর স্কুল এন্ড কলেজে যোগদান করেন মোঃ রেজাউল করিম।২০০৭ সালে আ’লীগ সরকার ক্ষমতায় আশার পরের বছর ২০০৮ সালেই সাবেক প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্যের স্ত্রী ও অত্র প্রতিষ্ঠানের সাবেক সভাপতি তন্দ্রা ভট্টাচার্যের আস্থাভাজন হয়ে প্রধান অধ্যক্ষের দায়িত্বে আসেন রেজাউল করিম। এরপর থেকে আর পেছনে ফিরে দেখেননি তিনি। প্রতিষ্ঠান কেন্দ্রীক বাদেও অসংখ্য আ’লীগের দলীয় প্রগ্রামে দেখা গেছে অধ্যক্ষ রেজাউল করিম’কে। অনুসন্ধান বলছে,২০১২ সালে গোপালপুর স্কুল এন্ড কলেজ এমপিও ভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আওতায় আসলে অধ্যক্ষ নিজেই দিতে থাকেন শিক্ষক নিয়োগ। যে সমস্ত নিয়োগ দিয়েছেন তার মধ্য উল্লেখযোগ্য অত্র প্রতিষ্ঠানের ক্রীড়া লিখতে না পারা ক্রীড়া শিক্ষক মোঃ আসাদুজ্জামান। যিনি ইতিপূর্বে ২০২৫ সালের আন্তস্কুল ফুটবল টুর্নামেন্টের জার্সিতে শেখ মুজিবের ছবি সম্বলিত বিতর্কিত বিষয়ে প্রশ্নবিদ্ধ হলেও সাবেক এডহক সভাপতি আবুল কালামের সাধারণ ক্ষমায় বহাল তবিয়তে কর্মরত আছেন। তথ্য আছে,এই আসাদুজ্জামানকে হাত করে পলাতক থাকা প্রধান অধ্যক্ষ রেজাউল করিম ফ্যাসিস্টদের অস্বিত্ব জানানের ইন্ধন দিয়েছেন।

‎দুই পর্বের অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের চলতি ১ম পর্বের তথ্য বলছে,চলতি বছরের জুলাই মাসে এডহক সভাপতি বরাবর ৮ মাসের ঐচ্ছিক ছুটির ৪ মাসের আবেদন করলে এডহক সভাপতি দুই মাসের ছুটি প্রদান করে। ভারপ্রাপ্ত অধক্ষ হিসাবে দায়িত্ব পান পলাশ ঘোষ,যিনি এখনো চলমান দায়িত্বে আছেন।তবে রেজাউল করিমের ছুটির দুই মাসের মেয়াদ সেপ্টেম্বরে শেষ হলেও এখনো তিনি আসেন না শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে।
‎গোপনতথ্য আছে, গনমাধ্যকর্মীদের প্রতিষ্ঠান কেন্দ্রীক তথ্য অনুসন্ধানের খবর অনুপস্থিত থাকা অধ্যক্ষ রেজাউল করিম জানতে পেরে মণিরামপুর বাজারস্থ আরেক শিক্ষকের মাধ্যমে নতুন অধ্যাদেশে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও অত্র প্রতিষ্ঠানের চলমান সভাপতির দায়িত্বে থাকা সদ্য বিদায়ী নিশাত তামান্না বরাবর অতিরিক্ত ছুটির আবেদন করলেও স্থানীয় রাজনৈতিক ও সচেতন মহলের দৃষ্টি গোচরীভূত হওয়াতে সেটি নাকচ করেন বলে পরিচয় গোপন স্বার্থে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন মণিরামপুর উপজেলা প্রশাসনের সাবেক এক কর্মকর্তা।

‎এদিকে আত্নগোপনে থাকা গোপালপুর স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ রেজাউল করিমের প্রতিষ্ঠান কেন্দ্রীক শিক্ষক সিন্ডিকেটের কয়েকজন সদস্য তাকে বহাল তবিয়তে পলাতক থাকতে সহায়তা করার বিভিন্ন মহলকে ম্যানেজ করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। অপরদিকে রেজাউল করিম ও তার ভাই হারুন-অর-রশিদের পরিকল্পিত নিয়োগ বানিজ্যের ফাঁদে পড়া ভুক্তভোগীরা প্রায়ই গেলে নাকি অধ্যক্ষ রেজাউল করিমের গ্রামের ফাকা পড়ে থাকা আলিশান বাড়িতে মাঝে মাঝে ভিড় করতে দেখা যায় !

‎একাধিক বার বিভিন্ন মাধ্যমে যোগাযোগ করে না পেয়ে গোপালপুর স্কুল এন্ড কলেজে গেলেও অভিযুক্ত প্রধান অধ্যক্ষ রেজাউল করিমের সাথে কোন ধরনের যোগাযোগ করা না গেলেও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর ছুটির আবেদন করা অধ্যক্ষের স্বাক্ষরিত ১টি কম্পিউটার কপি বিশ্বস্ত সূত্র মাধ্যমে হাতে পেয়ে এ বিষয়ে জানতে চাইলে মণিরামপুর উপজেলা নবাগত নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ সম্রাট হোসেন বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে বলে জানিয়েছেন। যদিও অধ্যক্ষ রেজাউল করিম নিজস্ব ঐচ্ছিক ছুটির ৮ মাসের প্রাপ্য বলে জানা গেছে তবুও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নির্দেশ অমান্য এবং ছুটির আবেদন বাতিলের বিষয়টি জানাজানি হওয়াতে প্রতিষ্ঠান কেন্দ্রীক নানা রকম সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে বলে জানা গেছে।
‎চলতি এ প্রতিবেদনে উল্লেখিত বাকি অভিযোগ গুলোর তথ্যবহুল অনুসন্ধানের সত্যতা নিশ্চিত হতে অপেক্ষা করুন! আমাদের অনুসন্ধান চলমান…..