Rowmari - Kurigram 7:39 am, Tuesday, 3 March 2026
Notice:
Welcome To Our Website...www.notunkalom.com 👉এতদ্বারা দৈনিক নতুন কলমের সাংবাদিক, পাঠক ও শুভানুধ্যায়ীদের জানানো যাচ্ছে যে বাংলা মাধ্যম থেকে ইংরেজি মাধ্যমে রূপান্তরের ফলে পত্রিকার নাম পরিবর্তন করে “Daily Notun Kalom” করা হয়েছে। আজ থেকে পত্রিকাটির সকল সংবাদ ইংরেজি ভাষায় প্রকাশ করা হবে। 👉 This is to inform our journalists, readers, and well-wishers that Dainik Notun Kolom has transitioned from Bangla to English and will now be published as “Daily Notun Kalom.” All news will be published in English from today onward.👉

চুয়াডাঙ্গায় সেনাবাহিনী ও পুলিশের যৌথ অভিযানে ইলেকট্রিক স্টান গান ও দেশীয় অস্ত্রসহ একজন আটক

৭৫

স্টাফ রিপোর্টার, চুয়াডাঙ্গা।

আজ রবিবার ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫ ভোর ৫ টার সময় চুয়াডাঙ্গা পৌরশহরের শেখপাড়ায় এক বিশেষ ও সফল যৌথ অভিযান পরিচালনা করে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও চুয়াডাঙ্গা সদর থানা পুলিশ। এই অভিযানে মোঃ রিকন (৩৩) নামে এক ব্যক্তিকে তার নিজ বাড়ি থেকে আটক করা হয়েছে।

আটক রিকনের কাছ থেকে একটি ইলেকট্রিক স্টান গানসহ (electric stun gun) বেশ কিছু দেশীয় অস্ত্র ও সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।

জানা গেছে, এই সাঁড়াশি অভিযানটি চুয়াডাঙ্গা আর্মি ক্যাম্পের মেজর সালমান হকের নেতৃত্বে পরিচালিত হয়। ভোররাতে সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে শেখপাড়ায় অভিযান শুরু করে যৌথ বাহিনী।

অভিযান চলাকালে শেখপাড়ার মৃত আ. সেলিমের ছেলে মোঃ রিকনকে তার বাড়ি থেকে আটক করা হয়।

আটকের সময় তার হেফাজত থেকে নিম্নলিখিত সরঞ্জাম ও অস্ত্রগুলো উদ্ধার করা হয়:

একটি (১টি) ইলেকট্রিক স্টান গান (Electric Stun Gun)
একটি (১টি) রামদা
একটি (১টি) তলোয়ার
একটি (১টি) চাকু (ছোরা)
একটি (১টি) ব্যাটন (লাঠি)
একটি (১টি) স্মার্ট মোবাইল ফোন।

উদ্ধারকৃত ইলেকট্রিক স্টান গান এবং দেশীয় অস্ত্রগুলো জননিরাপত্তা ও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির জন্য উদ্বেগজনক বলে মনে করছেন অভিযান সংশ্লিষ্টরা।

ঘটনার বিষয়ে চুয়াডাঙ্গা সদর থানা পুলিশ সূত্র জানায়, আটক মোঃ রিকনকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

তার বিরুদ্ধে অস্ত্র ও সরঞ্জাম রাখার দায়ে সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। স্থানীয় প্রশাসন এই ধরনের অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে সমাজে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণে কঠোর বার্তা দিতে চাইছে।

মেজর সালমান হক সাংবাদিকদের জানান, “শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার রোধ করতে সেনাবাহিনী সবসময়ই স্থানীয় প্রশাসনের সাথে যৌথভাবে কাজ করে চলেছে।
এই অভিযানটি তারই একটি অংশ। আমরা আশা করি সমাজের শান্তি বিঘ্নিত করার চেষ্টা যারা করবে, তাদের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতেও এমন কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।”

আটকের পর পুরো এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এবং স্থানীয় জনগণ যৌথ বাহিনীর এমন সময়োপযোগী ও সফল অভিযানের প্রশংসা করেছেন। এলাকায় যেন কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে সেজন্য পুলিশের নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

চুয়াডাঙ্গায় সেনাবাহিনী ও পুলিশের যৌথ অভিযানে ইলেকট্রিক স্টান গান ও দেশীয় অস্ত্রসহ একজন আটক

Update Time : ০৪:২৯:৪৮ pm, Sunday, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫
৭৫

স্টাফ রিপোর্টার, চুয়াডাঙ্গা।

আজ রবিবার ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫ ভোর ৫ টার সময় চুয়াডাঙ্গা পৌরশহরের শেখপাড়ায় এক বিশেষ ও সফল যৌথ অভিযান পরিচালনা করে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও চুয়াডাঙ্গা সদর থানা পুলিশ। এই অভিযানে মোঃ রিকন (৩৩) নামে এক ব্যক্তিকে তার নিজ বাড়ি থেকে আটক করা হয়েছে।

আটক রিকনের কাছ থেকে একটি ইলেকট্রিক স্টান গানসহ (electric stun gun) বেশ কিছু দেশীয় অস্ত্র ও সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।

জানা গেছে, এই সাঁড়াশি অভিযানটি চুয়াডাঙ্গা আর্মি ক্যাম্পের মেজর সালমান হকের নেতৃত্বে পরিচালিত হয়। ভোররাতে সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে শেখপাড়ায় অভিযান শুরু করে যৌথ বাহিনী।

অভিযান চলাকালে শেখপাড়ার মৃত আ. সেলিমের ছেলে মোঃ রিকনকে তার বাড়ি থেকে আটক করা হয়।

আটকের সময় তার হেফাজত থেকে নিম্নলিখিত সরঞ্জাম ও অস্ত্রগুলো উদ্ধার করা হয়:

একটি (১টি) ইলেকট্রিক স্টান গান (Electric Stun Gun)
একটি (১টি) রামদা
একটি (১টি) তলোয়ার
একটি (১টি) চাকু (ছোরা)
একটি (১টি) ব্যাটন (লাঠি)
একটি (১টি) স্মার্ট মোবাইল ফোন।

উদ্ধারকৃত ইলেকট্রিক স্টান গান এবং দেশীয় অস্ত্রগুলো জননিরাপত্তা ও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির জন্য উদ্বেগজনক বলে মনে করছেন অভিযান সংশ্লিষ্টরা।

ঘটনার বিষয়ে চুয়াডাঙ্গা সদর থানা পুলিশ সূত্র জানায়, আটক মোঃ রিকনকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

তার বিরুদ্ধে অস্ত্র ও সরঞ্জাম রাখার দায়ে সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। স্থানীয় প্রশাসন এই ধরনের অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে সমাজে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণে কঠোর বার্তা দিতে চাইছে।

মেজর সালমান হক সাংবাদিকদের জানান, “শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার রোধ করতে সেনাবাহিনী সবসময়ই স্থানীয় প্রশাসনের সাথে যৌথভাবে কাজ করে চলেছে।
এই অভিযানটি তারই একটি অংশ। আমরা আশা করি সমাজের শান্তি বিঘ্নিত করার চেষ্টা যারা করবে, তাদের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতেও এমন কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।”

আটকের পর পুরো এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এবং স্থানীয় জনগণ যৌথ বাহিনীর এমন সময়োপযোগী ও সফল অভিযানের প্রশংসা করেছেন। এলাকায় যেন কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে সেজন্য পুলিশের নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।