Rowmari - Kurigram 4:18 pm, Tuesday, 3 March 2026
Notice:
Welcome To Our Website...www.notunkalom.com 👉এতদ্বারা দৈনিক নতুন কলমের সাংবাদিক, পাঠক ও শুভানুধ্যায়ীদের জানানো যাচ্ছে যে বাংলা মাধ্যম থেকে ইংরেজি মাধ্যমে রূপান্তরের ফলে পত্রিকার নাম পরিবর্তন করে “Daily Notun Kalom” করা হয়েছে। আজ থেকে পত্রিকাটির সকল সংবাদ ইংরেজি ভাষায় প্রকাশ করা হবে। 👉 This is to inform our journalists, readers, and well-wishers that Dainik Notun Kolom has transitioned from Bangla to English and will now be published as “Daily Notun Kalom.” All news will be published in English from today onward.👉

বিজিবির মানবিকতায় মায়ের মরদেহের শেষ দর্শন পেলেন মেয়ে

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৫:৫৫:০৩ pm, Saturday, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • 7 Time View
২১

মিনারুল ইসলাম

চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রতিনিধি

আজ শনিবার (৬ সেপ্টম্বর) বিকেলে চুয়াডাঙ্গা ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. নাজমুল হাসান স্বাক্ষরিত গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ভারতের নদিয়া জেলার হৃদয়পুর গ্রামের বাসিন্দা জাহানারা বেগম (৬৫) দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার পর গতকাল শুক্রবার (০৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে মৃত্যুবরণ্র করেন। মৃত্যুকালে তিনি তিন ছেলে ও দুই মেয়ে রেখে গেছেন।

এর মধ্যে তাঁর এক কন্যা পারভিনা বেগম বহু বছর আগে বৈবাহিক সূত্রে মেহেরপুর জেলার মুজিবনগর উপজেলার আনন্দবাস গ্রামে স্বামী-সন্তান নিয়ে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন।

মাতৃবিয়োগের করুণ সংবাদে ভেঙে পড়া এই কন্যা শেষবারের মতো মায়ের মুখ দেখার জন্য চুয়াডাঙ্গা ব্যাটালিয়নের (৬ বিজিবি) নিকট আকুতি জানালে বিজিবি সেটিকে একজন সন্তানের চিরন্তন অধিকারের আবেদন হিসেবে গ্রহণ করে।

চুয়াডাঙ্গা ব্যাটালিয়ন (৬ বিজিবি) বিষয়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দ্রুত ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ-এর সঙ্গে যোগাযোগ করে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, আজ শনিবার (০৬ সেপ্টেম্বর) ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সহযোগীতায় সকাল ১০ টা থেকে ১০ টা ২০ মিনিট পর্যন্ত মেহেরপুর মুজিবনগর সীমান্তের ১০৫ নং পিলার শূন্যরেখায় জাহানারা বেগমের মরদেহ আনা হয়।

সেখানে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশে বসবাসরত তাঁর কন্যা শেষবারের মতো মায়ের মুখ দর্শনের সুযোগ পান। হৃদয়বিদারক এ দৃশ্যে উপস্থিত সকলেই আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।

চুয়াডাঙ্গা ব্যাটালিয়ন (৬ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লে. কর্ণেল নাজমুল হাসান বলেন, “সীমান্তের নিরাপত্তা ও আস্থার প্রতীক” মূলমন্ত্রকে সামনে রেখে বিজিবি শুধু সুরক্ষা নয়, বরং মানবিক মূল্যবোধকেও সর্বোচ্চ মর্যাদা দিয়ে থাকে।

এই ধরনের ঘটনা সীমান্তবর্তী মানুষের মধ্যে আস্থা ও সৌহার্দ্যের সেতুবন্ধন রচনা করে।” বিজিবি ও বিএসএফ-এর সমন্বয়ে গড়ে ওঠা এই ঘটনা দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক ও পারস্পরিক মানবিক সহমর্মিতার উজ্জ্বল নিদর্শন হয়ে থাকবে। ক

সীমান্তে শুধু নিরাপত্তা নয়, মানবিকতাও যে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পেতে পারে, তার এক অনন্য প্রমাণ এই আয়োজন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

বিজিবির মানবিকতায় মায়ের মরদেহের শেষ দর্শন পেলেন মেয়ে

Update Time : ০৫:৫৫:০৩ pm, Saturday, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫
২১

মিনারুল ইসলাম

চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রতিনিধি

আজ শনিবার (৬ সেপ্টম্বর) বিকেলে চুয়াডাঙ্গা ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. নাজমুল হাসান স্বাক্ষরিত গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ভারতের নদিয়া জেলার হৃদয়পুর গ্রামের বাসিন্দা জাহানারা বেগম (৬৫) দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার পর গতকাল শুক্রবার (০৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে মৃত্যুবরণ্র করেন। মৃত্যুকালে তিনি তিন ছেলে ও দুই মেয়ে রেখে গেছেন।

এর মধ্যে তাঁর এক কন্যা পারভিনা বেগম বহু বছর আগে বৈবাহিক সূত্রে মেহেরপুর জেলার মুজিবনগর উপজেলার আনন্দবাস গ্রামে স্বামী-সন্তান নিয়ে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন।

মাতৃবিয়োগের করুণ সংবাদে ভেঙে পড়া এই কন্যা শেষবারের মতো মায়ের মুখ দেখার জন্য চুয়াডাঙ্গা ব্যাটালিয়নের (৬ বিজিবি) নিকট আকুতি জানালে বিজিবি সেটিকে একজন সন্তানের চিরন্তন অধিকারের আবেদন হিসেবে গ্রহণ করে।

চুয়াডাঙ্গা ব্যাটালিয়ন (৬ বিজিবি) বিষয়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দ্রুত ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ-এর সঙ্গে যোগাযোগ করে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, আজ শনিবার (০৬ সেপ্টেম্বর) ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সহযোগীতায় সকাল ১০ টা থেকে ১০ টা ২০ মিনিট পর্যন্ত মেহেরপুর মুজিবনগর সীমান্তের ১০৫ নং পিলার শূন্যরেখায় জাহানারা বেগমের মরদেহ আনা হয়।

সেখানে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশে বসবাসরত তাঁর কন্যা শেষবারের মতো মায়ের মুখ দর্শনের সুযোগ পান। হৃদয়বিদারক এ দৃশ্যে উপস্থিত সকলেই আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।

চুয়াডাঙ্গা ব্যাটালিয়ন (৬ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লে. কর্ণেল নাজমুল হাসান বলেন, “সীমান্তের নিরাপত্তা ও আস্থার প্রতীক” মূলমন্ত্রকে সামনে রেখে বিজিবি শুধু সুরক্ষা নয়, বরং মানবিক মূল্যবোধকেও সর্বোচ্চ মর্যাদা দিয়ে থাকে।

এই ধরনের ঘটনা সীমান্তবর্তী মানুষের মধ্যে আস্থা ও সৌহার্দ্যের সেতুবন্ধন রচনা করে।” বিজিবি ও বিএসএফ-এর সমন্বয়ে গড়ে ওঠা এই ঘটনা দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক ও পারস্পরিক মানবিক সহমর্মিতার উজ্জ্বল নিদর্শন হয়ে থাকবে। ক

সীমান্তে শুধু নিরাপত্তা নয়, মানবিকতাও যে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পেতে পারে, তার এক অনন্য প্রমাণ এই আয়োজন।