Rowmari - Kurigram 7:39 am, Tuesday, 3 March 2026
Notice:
Welcome To Our Website...www.notunkalom.com 👉এতদ্বারা দৈনিক নতুন কলমের সাংবাদিক, পাঠক ও শুভানুধ্যায়ীদের জানানো যাচ্ছে যে বাংলা মাধ্যম থেকে ইংরেজি মাধ্যমে রূপান্তরের ফলে পত্রিকার নাম পরিবর্তন করে “Daily Notun Kalom” করা হয়েছে। আজ থেকে পত্রিকাটির সকল সংবাদ ইংরেজি ভাষায় প্রকাশ করা হবে। 👉 This is to inform our journalists, readers, and well-wishers that Dainik Notun Kolom has transitioned from Bangla to English and will now be published as “Daily Notun Kalom.” All news will be published in English from today onward.👉

রৌমারীতে রাস্তা নির্মাণে দুর্নীতির মহোৎসব: পিচ উঠে যাচ্ছে পায়ের আঘাতে!

  • Reporter Name
  • Update Time : ১২:২০:২৭ pm, Friday, ৯ মে ২০২৫
  • 258 Time View

oplus_0

১৯৫

নতুন কলম ডেস্ক:
কুড়িগ্রাম জেলার রৌমারী উপজেলার চরবোয়ালমারী গ্রামে পিচঢালাই রাস্তা নির্মাণ কাজে চলছে চরম অনিয়ম ও দুর্নীতির মহোৎসব। নিম্নমানের ইট, ঠান্ডা বিটুমিন, অপর্যাপ্ত পিচ ও ফিনিশিংবিহীন নির্মাণসামগ্রীর ব্যবহারে রাস্তাটি কিছু দিনের মধ্যেই ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়ার আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী।

উল্লেখযোগ্যভাবে, এই রাস্তা দিয়ে সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে বিজিবির নিয়মিত টহল চলে। কৌশলগত গুরুত্ব বিবেচনায় ২০২৪ সালের শুরুর দিকে রাস্তার কাজ শুরু হলেও রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে তা বন্ধ হয়ে যায়। পরবর্তীতে সরকার পতনের পর দীর্ঘদিন স্থবির থাকার পর আবারও কাজ শুরু হলেও দেখা যায় একের পর এক অনিয়মের চিত্র।

অনুসন্ধানে জানা যায়, রাস্তার কাজে ব্যবহার করা হয়েছে নিম্নমানের ইট, যা কিছু এলাকাবাসীর প্রতিবাদের মুখে সাময়িকভাবে ভালো ইট দিয়ে ঢেকে দেওয়া হলেও অধিকাংশ জায়গায় সেই নিম্নমানের সামগ্রীই ব্যবহৃত হয়েছে।

বেশিরভাগ জায়গায় ব্যবহৃত হয়েছে ঠান্ডা বিটুমিন, যা প্রকৌশলগতভাবে কখনো জমে না এবং রাস্তার স্থায়িত্ব নষ্ট করে দেয়।
অতিরিক্ত বড় পাথরের সঙ্গে দেওয়া হয়েছে অল্প পরিমাণ পিচ, যার ফলে মাত্র ৭২ ঘণ্টা পার হতেই পিচ উঠে যেতে শুরু করে। স্থানীয়দের অভিযোগ—পায়ে আঘাত করলেই উঠে যাচ্ছে পিচ।
এছাড়াও রাস্তার ফিনিশিং অংশে ডলার দেওয়া হয়নি, যা রাস্তার সৌন্দর্য ও দীর্ঘস্থায়িত্বের জন্য অত্যন্ত জরুরি।

ঠিকাদার মোঃ হারুন অর রশিদ সরকার পতনের পর থেকে পলাতক রয়েছেন বলে জানা গেছে। তার অনুপস্থিতিতে প্রকল্পের কাজ পরিচালনা করছেন মোঃ শফিকুল ইসলাম।
স্থানীয়রা যখন দুর্নীতির বিষয়ে তাকে অবহিত করতে যান, তখন তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে পড়েন এবং সঠিক ব্যাখা না দিয়ে বিষয়টি এড়িয়ে যান।
ইঞ্জিনিয়াররা অভিযোগ পেলে এলাকাবাসীকে নানা রকম বিভ্রান্তিমূলক তথ্য দিয়ে শান্ত রাখার চেষ্টা করেন, অভিযোগ এলাকাবাসীর।

চরবোয়ালমারীর স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, “আমরা এই রাস্তা বহুদিন ধরে চেয়ে এসেছি। এখন যখন কাজ শুরু হলো, তখন দেখি সব অনিয়মে ভরা। আমাদের সঙ্গে ঠকবাজি করা হচ্ছে।”

Tag :

One thought on “রৌমারীতে রাস্তা নির্মাণে দুর্নীতির মহোৎসব: পিচ উঠে যাচ্ছে পায়ের আঘাতে!

  1. এই পথের নির্মাণ কাজে এত অনিয়ম কেন? এটি চরম হতাশাজনক যে এই ধরনের অবহেলা এবং দুর্নীতির ঘটনা ঘটছে। স্থানীয় বাসিন্দারা দীর্ঘদিন ধরে এই রাস্তার জন্য অপেক্ষা করছেন, কিন্তু যখন কাজ শুরু হয়েছে, তখন সব অনিয়মে ভরা। নিম্নমানের ইট ব্যবহারের এই অভিযোগ কি সত্যি? যদি সত্য হয়, তাহলে এটি কি শুধুমাত্র একটি ভুল, নাকি ইচ্ছাকৃত অবহেলা? কারা এই অনিয়মের জন্য দায়ী, এবং তাদের বিরুদ্ধে কি ব্যবস্থা নেওয়া হবে? আমরা কি আশা করতে পারি যে এই অনিয়মগুলি শোধরানো হবে এবং রাস্তার কাজ সঠিকভাবে সম্পন্ন করা হবে?

Leave a Reply to VK Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

রৌমারীতে রাস্তা নির্মাণে দুর্নীতির মহোৎসব: পিচ উঠে যাচ্ছে পায়ের আঘাতে!

Update Time : ১২:২০:২৭ pm, Friday, ৯ মে ২০২৫
১৯৫

নতুন কলম ডেস্ক:
কুড়িগ্রাম জেলার রৌমারী উপজেলার চরবোয়ালমারী গ্রামে পিচঢালাই রাস্তা নির্মাণ কাজে চলছে চরম অনিয়ম ও দুর্নীতির মহোৎসব। নিম্নমানের ইট, ঠান্ডা বিটুমিন, অপর্যাপ্ত পিচ ও ফিনিশিংবিহীন নির্মাণসামগ্রীর ব্যবহারে রাস্তাটি কিছু দিনের মধ্যেই ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়ার আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী।

উল্লেখযোগ্যভাবে, এই রাস্তা দিয়ে সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে বিজিবির নিয়মিত টহল চলে। কৌশলগত গুরুত্ব বিবেচনায় ২০২৪ সালের শুরুর দিকে রাস্তার কাজ শুরু হলেও রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে তা বন্ধ হয়ে যায়। পরবর্তীতে সরকার পতনের পর দীর্ঘদিন স্থবির থাকার পর আবারও কাজ শুরু হলেও দেখা যায় একের পর এক অনিয়মের চিত্র।

অনুসন্ধানে জানা যায়, রাস্তার কাজে ব্যবহার করা হয়েছে নিম্নমানের ইট, যা কিছু এলাকাবাসীর প্রতিবাদের মুখে সাময়িকভাবে ভালো ইট দিয়ে ঢেকে দেওয়া হলেও অধিকাংশ জায়গায় সেই নিম্নমানের সামগ্রীই ব্যবহৃত হয়েছে।

বেশিরভাগ জায়গায় ব্যবহৃত হয়েছে ঠান্ডা বিটুমিন, যা প্রকৌশলগতভাবে কখনো জমে না এবং রাস্তার স্থায়িত্ব নষ্ট করে দেয়।
অতিরিক্ত বড় পাথরের সঙ্গে দেওয়া হয়েছে অল্প পরিমাণ পিচ, যার ফলে মাত্র ৭২ ঘণ্টা পার হতেই পিচ উঠে যেতে শুরু করে। স্থানীয়দের অভিযোগ—পায়ে আঘাত করলেই উঠে যাচ্ছে পিচ।
এছাড়াও রাস্তার ফিনিশিং অংশে ডলার দেওয়া হয়নি, যা রাস্তার সৌন্দর্য ও দীর্ঘস্থায়িত্বের জন্য অত্যন্ত জরুরি।

ঠিকাদার মোঃ হারুন অর রশিদ সরকার পতনের পর থেকে পলাতক রয়েছেন বলে জানা গেছে। তার অনুপস্থিতিতে প্রকল্পের কাজ পরিচালনা করছেন মোঃ শফিকুল ইসলাম।
স্থানীয়রা যখন দুর্নীতির বিষয়ে তাকে অবহিত করতে যান, তখন তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে পড়েন এবং সঠিক ব্যাখা না দিয়ে বিষয়টি এড়িয়ে যান।
ইঞ্জিনিয়াররা অভিযোগ পেলে এলাকাবাসীকে নানা রকম বিভ্রান্তিমূলক তথ্য দিয়ে শান্ত রাখার চেষ্টা করেন, অভিযোগ এলাকাবাসীর।

চরবোয়ালমারীর স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, “আমরা এই রাস্তা বহুদিন ধরে চেয়ে এসেছি। এখন যখন কাজ শুরু হলো, তখন দেখি সব অনিয়মে ভরা। আমাদের সঙ্গে ঠকবাজি করা হচ্ছে।”